আকাশ ছুঁতে চাই পর্ব ৭৭
১. জীবনে সব কাজই করেছি ভালোবেসে-অধ্যাপক মেরিনা জাহান স্বপ্না, সাক্ষাৎকার
২. শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের মেধার বিকাশ ঘটাচ্ছেন জিং স্যিয়াও মিয়াও
৩. গান শিল্পী হান হং
৪. মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যুর হার রেকর্ড পর্যায়ে নেমে এসেছে চীনে
চীন আন্তর্জাতিক বেতারের ঢাকা স্টেশন থেকে প্রচারিত আকাশ ছুঁতে চাই অনুষ্ঠানে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। কেমন আছেন আপনারা? আশাকরি ভালো আছেন। আমাদের অনুষ্ঠানে আজ উপস্থিত আছেন এমন একজন ব্যক্তিত্ব যিনি দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছেন। পাশাপাশি তিনি একজন লেখক ও সংগীতশিল্পী। আমাদের আজকের অতিথি অধ্যাপক মেরিনা জাহান স্বপ্না। অনুষ্ঠানে তাকে স্বাগত জানাই।
জীবনে সব কাজই করেছি ভালোবেসে-অধ্যাপক মেরিনা জাহান স্বপ্না
সাক্ষাৎকার
অধ্যাপক মেরিনা জাহান স্বপ্না প্রথমেই শোনালেন তার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের গল্প। তিনি ষাটের দশকের শেষে এবং সত্তরের দশকের শুরুর দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাগ্রহণ করেন। সেসময় তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা প্রমুখ দেশবরেণ্য শিক্ষকের কাছে শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ পান। মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি ড. নীলিমা ইব্রাহিম, ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, ড.সনজীদা খাতুন প্রমুখের কাছে শিক্ষাগ্রহণের সৌভাগ্য লাভ করেন।
ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজসহ দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন মেরিনা জাহান। চাকরি জীবনে তাকে অনেক প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করতে হয়েছে। তবে তিনি সবসময় তার স্বামী মেজর জেনারেল (অব.)সৈয়দ বদরুজ্জামানের কাছ থেকে সহযোগিতা পেয়েছেন বলে জানান।
শৈশব থেকেই লেখালেখির জগতে বিচরণ করছেন মেরিনা জাহান। তার মা জাহানারা আরজু বাংলাদেশের একজন প্রতিষ্ঠিত কবি। তাই শৈশবে সাহিত্যচর্চার অনুকুল পরিবেশ পেয়েছেন মেরিনা জাহান।
তিনি বেগম, জনকণ্ঠ, ইত্তেফাকসহ বিভিন্ন পত্রিকায় কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ লিখছেন দীর্ঘ সময় ধরে।
মেরিনা জাহান একজন প্রতিষ্ঠিত সংগীতশিল্পী। তিনি বেতার ও টেলিভিশনে সংগীত পরিবেশন করছেন অনেক বছর ধরে। তিনি মা হিসেবেও সফল । তার কন্যা সৈয়দা বেনা পারশা জাহান বিভোর , ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের একজন চাইল্ড সাইকোলজিস্ট। তার পুত্র সৈয়দ মহিউজ্জামান মুখর এশিয়ান টেলিভিশনের নিউজরুম কো-অর্ডিনেটর ও সিনিয়র নিউজ প্রেজেন্টার।
শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের মেধার বিকাশ ঘটাচ্ছেন জিং স্যিয়াও মিয়াও
একদল শ্রবণ প্রতিবন্ধীকে পেশাদার নিত্য শিল্পী হিসেবে গড়ে তোলা খুব একটা সহজ কাজ নয়। এজন্য প্রয়োজন হয় অসীম ধৈর্য আর নিপুণ দক্ষতার। এই কঠিন কাজটাই সম্ভব করেছেন চীনা তরুণী জিং স্যিয়াও মিয়াও। শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের মেধার বিকাশ ঘটিয়েছেন ভালোবাসা দিয়ে। নাচের নানান ভঙ্গিমা সাংকেতিক ভাষায় শিখিয়েছেন তিনি। বিস্তারিত প্রতিবেদনে।