আকাশ ছুঁতে চাই ৭৫
আকাশ ছুঁতে চাই ৭৫
যা থাকছে এবারের পর্বে
১. সাক্ষাৎকার: নিজের পেশার প্রতি আন্তরিক হতে হবে:সাজিয়া আফরিন ,কস্টিউম ডিজাইনার
২. গান: শিল্পী লিন ইয়ুইং
৩. ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত বিদ্যা সিনহা মিম
৪. ওয়েল্ডিং পেশায় সফল নারী
চীন আন্তর্জাতিক বেতারের ঢাকা স্টেশন থেকে প্রচারিত আকাশ ছুঁতে অনুষ্ঠানে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। কেমন আছেন আপনারা? আশা করি ভালো আছেন।
বাংলাদেশের মঞ্চে ও চলচ্চিত্রে কস্টিউম ডিজাইনার হিসেবে নারীর অগ্রযাত্রা খুব বেশি দিনের নয়। তবে স্বল্প সময়ের মধ্যেই এই পেশায় নারীরা ভালো সাফল্য অর্জন করেছেন। কস্টিউম ডিজাইনার হিসেবে বিভিন্ন চলচ্চিত্রে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করে খ্যাতি পেয়েছেন খোন্দকার সাজিয়া আফরিন লুবনা। তিনি একজন উদ্যোক্তাও।
তার কাছ থেকে শুনবো অপেক্ষাকৃত নতুন এই ক্যারিয়ারে নারীর এগিয়ে চলার গল্প। আমাদের অনুষ্ঠানে স্বাগত জানাই খোন্দকার সাজিয়া আফরিন লুবনাকে।
সাক্ষাৎকার
ক্যাপশন: সিএমজির স্টুডিওতে সাজিয়া আফরিন
সাজিয়া আফরিন লুবনা বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগে পড়েছেন। সে সময়েই তিনি কস্টিউম ডিজাইনের প্রতি আগ্রহী হন। তিনি মঞ্চ নাটকে কস্টিউম ডিজাইনার দলে কাজ করতেন। পরবর্তি সময়ে তিনি মঞ্চ ও চলচ্চিত্রে কস্টিউম ডিজাইনারের পেশা গ্রহণ করেন। বাংলাদেশের একটি সাড়া জাগানো চলচ্চিত্র ‘মনপুরা’য় তিনি কস্টিউম ডিজাইনারের কাজ করে খ্যাতি পান।
ক্যাপশন: মনপুরা ছবির কস্টিউম ডিজাইন করেছেন সাজিয়া আফরিন
সাজিয়া আফরিন এখনও কয়েকটি চলচ্চিত্রের কস্টিউম ডিজাইনার হিসেবে কাজ করছেন। তিনি টিভি বিজ্ঞাপন চিত্রের কস্টিউম ডিজাইনও করে থাকেন। কস্টিউম ডিজাইনের ক্ষেত্রে তিনি প্রথমেই পরিচালকের চাহিদাটি বুঝতে চেষ্টা করেন। সঠিকভাবে ধারণা গ্রহণের পর নিজের আইডিয়া পরিচালকের সঙ্গে শেয়ার করেন। পাশাপাশি তিনি একজন উদ্যোক্তাও। ঢাকার একটি শপিংমলে তার ফ্যাশন হাউজ রয়েছে। সাজিয়া আফরিন মনে করেন কস্টিউম ডিজাইনারের পেশায় নারীরা বর্তমানে অনেক ভালো করছেন। একসময় বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে পুরুষরাই কেবল এই পেশায় ছিলেন। কিন্তু বেশ কয়েক বছর ধরে এই পেশায় নারীরা এগিয়ে এসেছেন এবং সহজাত সৌন্দর্য চেতনা ও ধৈর্যগুণে এগিয়ে যাচ্ছেন।
সাফল্য লাভের জন্য নিজের পেশার প্রতি সৎ ও আন্তরিক থাকার উপরে গুরুত্ব দিলেন তিনি। পরিবারের সহযোগিতাও প্রয়োজনীয় বলে মনে করেন তিনি। সাজিয়া আফরিন তার স্বামীসহ পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে যথেষ্ট সহযোগিতা পান বলে জানিয়েছেন। চলচ্চিত্রে কাজ করতে এসে তেমন কোন বিরুপ পরিস্থিতিতে পড়তে হয়নি তাকে। এর কারণ হলো তিনি সবসময় শিক্ষিত মানুষজনের সঙ্গে কাজ করেছেন। চলচ্চিত্র নির্মাণে যত বেশি শিক্ষিত মানুষ এগিয়ে আসবেন কাজের পরিবেশ ততো ভালো হবে বলে তিনি মনে করেন। সাজিয়া আফরিন আশা করেন আরও বেশি সংখ্যক নারী এই পেশায় এগিয়ে আসবেন এবং সাফল্য লাভ করবেন।
গান
সুপ্রিয় শ্রোতা, লিন ইয়ুইং ছিলেন একজন প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী। ১৯৮০র দশকে চীনের তাইওয়ানে তার জন্ম । তিনি চীন ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্লাটফর্মে সংগীতের জন্য সম্মাননা পেয়েছেন। মাত্র ৫৮ বছর বয়সে প্রয়াত এই শিল্পী এখনও চীনে দারুণ জনপ্রিয়। এখন শুনবো লিন ইয়ুইংয়ের কণ্ঠে একটি গান