বাংলা

চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সাপ্তাহিক আয়োজন: বিজ্ঞানবিশ্ব

CMGPublished: 2024-08-26 18:16:24
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

ছাং’এ-৫ প্রোব চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে মোট এক হাজার ৭৩১ গ্রাম শিলা এবং মাটি নিয়ে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে পৃথিবীতে ফিরে এসেছিল। চলতি বছরের জুনে চীনের ঐতিহাসিক ছাং’এ-৬ প্রোব চাঁদের দূরবর্তী প্রান্ত হতে এক হাজার ৯৩৫ গ্রাম নমুনা নিয়ে আসে।

২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে মনুষ্যবাহী যান পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে চীনের।

চীনের এই আবিষ্কার মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা। এটি মহাকাশ গবেষণার নতুন দ্বার উন্মুক্ত করেছে। চাঁদে পানি থাকা মানে সেখানে মানুষের বসতি স্থাপনের সম্ভাবনা আরও বেড়েছে। ফলে ভবিষ্যতে চাঁদে মানব বসতি গড়ার স্বপ্নও সত্যি হবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।

চীনে রকেট প্রযুক্তিতে তৈরি হলো হৃদরোগের যন্ত্র

গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য চীনের থিয়েনচিনের টিইডিএ ইন্টারন্যাশনাল কার্ডিওভাসকুলার হাসপাতাল এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় রকেট নির্মাতা চায়না একাডেমি অব লঞ্চ ভেহিকেল টেকনোলজি তৈরি করে হার্টকন নামের একটি প্রযুক্তি। এবার সেই হার্টকনের আরও উন্নত দ্বিতীয় সংস্করণ আসতে চলেছে বাজারে।

হার্টকন মূলত একটি বায়োমেডিক্যাল ডিভাইস, যা হৃদরোগের চিকিৎসায় একটি বিপ্লব ঘটাতে পারে। এই ডিভাইসটি হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা উন্নত করতে এবং হৃদরোগের জটিলতা কমাতে সাহায্য করে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে, হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীরা আরও ভালোভাবে বাঁচতে পারবে এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।

চীনের তৈরি হার্টকন নামের কৃত্রিম হার্টটি একটি পাম্প হিসেবে কাজ করে যা পুরো শরীরে রক্ত সরবরাহ করে এবং উল্লেখযোগ্যভাবে হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতার লক্ষণগুলোর উপশম করে। প্রকল্পের প্রকৌশলীরা বলছেন, ডিভাইসটি রকেটের সার্ভমেকানিজমের মতো কাজ করে, যা মূলত হাইড্রোলিক পাম্প পদ্ধতিতে চলে।

首页上一页1234全文 4 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn