বাংলা

মেড ইন চায়না : পর্ব-২০: স্টার ফ্রাই

CMGPublished: 2024-10-12 19:33:47
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

হাজার বছর আগের কাগজ, চা এবং নুডলস থেকে শুরু করে আজকের প্যাসেঞ্জার ড্রোন, কিংবা নতুন জ্বালানির গাড়ি। সুপ্রাচীনকাল থেকেই বিশ্বসভ্যতা এগিয়ে চলেছে চীনের শক্তিশালী আবিষ্কারের হাত ধরে। নানা সময়ে দারুণ সব আবিষ্কার করে আধুনিক সভ্যতার ভিত গড়ে দিয়েছে চীন। আর সেই সব আবিষ্কার নিয়ে আমাদের নিয়মিত আয়োজন মেড ইন চায়না।

মেড ইন চায়নার ২০তম পর্বে সাথে আছি আমি ফয়সল আবদুল্লাহ...আজকের পর্বে থাকছে চীনের আবিষ্কার স্টার ফ্রাইং তথা ভাজা খাবার তৈরির একটি বিশেষ কৌশলের কথা।

মানুষ রান্না করে খেতে শিখেছে অনেক অনেক আগে। তবে মজার সব খাবারের রেসিপি এসেছে খুব বেশিদিন হয়নি। তবে এমন এক মজার রান্নার কৌশল আছে, যা কিনা আবিষ্কার হয়েছিল আজ থেকে দুই হাজার বছরেরও বেশি আগে। রান্নার এই ধরনটিকে বলা হয় স্টার ফ্রাইং বা দ্রুত নেড়েচেড়ে ভাজা। এ কৌশলের কারণেই বলা যায় আমাদের রোজকার খাবারের তালিকায় যুক্ত হয়েছে অনেক বেশি সবজি। এমনকি যারা সবজি পছন্দ করেন কম, তারাও কিন্তু স্টার ফ্রাই করা সবজি পেলে মজা করেই খান। রান্না করার জনপ্রিয় এ উপায়টি কিন্তু পুরোপুরি মেড ইন চায়না।

প্রচণ্ড উত্তপ্ত কড়াইতে অল্প তেলে দ্রুত নেড়েচেড়ে ভাজাই হলো স্টার ফ্রাইং। চীনা ভাষায় যাকে বলা হয় ছাও। দুই হাজার দুই শ বছর আগে হান রাজবংশের সময় পদ্ধতিটি আবিষ্কার হয়।

স্টার ফ্রাইং করা হয় বড়সড় গোলাকৃতির কড়াইতে। এটাও বলে রাখা যায় যে, ওই কড়াইটা কিন্তু চীনেরই আবিষ্কার।

কেন চীনারা আবিষ্কার করেছিল ছাও বা নেড়েচেড়ে ভাজার পদ্ধতি? ইতিহাস ঘেঁটে জানা গেল, কড়াই আবিষ্কারের পর হান রাজবংশের সময় স্টার ফ্রাইং করা হতো শস্যদানা। পরে ৬১৮ থেকে ৯০৭ সাল পর্যন্ত চলমান থাং রাজবংশের সময় উত্তপ্ত কড়াইতে চা পাতা ভাজার প্রক্রিয়াকে বলা হতো ছাও। এরও অনেক পরে চারশ থেকে সাড়ে চারশ বছর আগে মিং রাজবংশের সময় এ পদ্ধতিতে রান্না করার চল শুরু হয়। কারণ, এ পদ্ধতিতে রান্না করতে ভোজ্যতেল লাগতো কম। আর যখন এ পদ্ধতি আবিষ্কার হয়, তখন ভোজ্যতেল ছিল ভীষণ দুষ্প্রাপ্য একটা বস্তু। অর্থাৎ চীনাদের এ আবিষ্কার না হলে একটা দীর্ঘসময় পর্যন্ত মানুষজন সবজি খাওয়ার মজা থেকেই বঞ্চিত হতো।

123全文 3 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn