ফান ওয়েছি
ফান ওয়েছি বা ফান ফান ১৯৭৬ সালের ১৮ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যে জন্মগ্রহণ করেন। চীনের আমেরিকান-চীনা ভাষা পপসংগীত মহলের গায়িকা এবং চলচ্চিত্র ও টিভি অভিনেত্রী।
২০০০ সালে ফান ফান ‘পিঙ্ক এলিফ্যান্ট’ নামে গানটি দিয়ে লিনফায়ার রেকর্ডসের ভাল সাড়া পান। একই বছরের নভেম্বরে তিনি প্রথম একক অ্যালবাম ‘ফান ফানের বিশ্ব’ প্রকাশ করার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শোবিজ জগতে পা রাখেন।
বন্ধুরা, ফান ফান সম্পর্কে আরও তথ্য আমি পরে আপনাদেরকে জানাবো। তবে, তার আগে আজকের ‘তোমার জন্য গান’ অনুষ্ঠানের প্রথমে আপনাদেরকে তাঁর প্রথম অ্যালবাম থেকে বাছাই করা একটি গান শোনাতে চাই। গানের নাম ‘প্রতিদিন’।
১৯৮২ সালে লেখাপড়ার জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাইওয়ানে ফিরে যান। উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত তিনি তাইওয়ানে ছিলেন। তারপর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে তাঁর পড়াশোনা করতে থাকেন। ছোটবেলায় তাইওয়ানে লেখাপড়ার কারণে তাঁর চীনা ভাষা সাধারণ চায়নিজ আমেরিকানদের চেয়ে ভালো। এছাড়া সংগীত পছন্দ করার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বছরে তিনি লেখাপড়া ছেড়ে তাইওয়ানে গিয়ে গায়িকা হন। ২০০১ সালে তিনি তাঁর প্রথম একক সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করেন। একই বছরের ৪ আগস্টে তিনি দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘সূর্য’ প্রকাশ করেন। এতে ‘প্রতিদিনের প্রতিদিন’ এবং ‘ঠিকই মানুষ’সহ মোট ১১টি গান অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাহলে বন্ধুরা, এখন আমি অ্যালবামের শীরোনাম গান ‘সূর্য’ আপনাদের শোনাবো। কেমন?
২০০২ সালে ফান ওয়েছি প্রথমবারের মতো একটি টিভি নাটকে অভিনয় করেন। এ ছাড়া তিনি নাটকের থিমসং ‘যাত্রা শুরু’ গান। ২০০৩ সালের ২৮ মে তিনি তাঁর তৃতীয় অ্যালবাম ‘ফান ফান সংগীতের ধ্বনি’ প্রকাশ করেন। এতে ‘ঐ ফুল’ ও ‘আমরা কি সাহসী হতে পারি না’সহ ১১টি গান রাখা হয়। আসলে ‘ঐ ফুল’ গানটি ছিল চীনের মূল-ভূখণ্ডের কণ্ঠশিল্পী পু শু’র একটি গান। গানটি পু শু’র ১৯৯৯ সালে প্রকাশিত অ্যালবামে রাখা হয়। কিন্তু ২০০৩ সালের মে মাসে ফান ফান গানটি পুনরায় ইংরেজী লিরিক্স দেন এবং তাঁর অ্যালবামে অন্তর্ভুক্ত করেন। ২০০৪ সালে গানটি মিউজিক ইন চীনের টপ তালিকা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ‘হংকং ও তাইওয়ানের বছরের গোল্ডসং’ পুরস্কার জেতে। আচ্ছা বন্ধুরা, তাহলে এখন আমি আপনাদেরকে ‘যাত্রা শুরু’ এবং ‘ঐ ফুল’ দু’টো গান শোনাচ্ছি।