‘ঘনিষ্ঠ প্রণয়ী’
বন্ধুরা, আজকের অনুষ্ঠানে আপনাদের চীনের জনপ্রিয় গায়ক ওয়াং সির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবো। ওয়াং সির খুব সুন্দর ও গুরুগম্ভীর কণ্ঠ আছে। চীনের সংগীত মহলে ‘জাতীয় তরুণ গায়ক প্রতিযোগিতা’ ও ‘চীনা সংগীত গোল্ডেন বেল পুরস্কার’—সবচেয়ে বিখ্যাত ও প্রভাবশালী। এ দুটিতেই তিনি চ্যাম্পিয়ন হয়ে সবার কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
ন্ধুরা, অনুষ্ঠানের শুরুতে ওয়াং সি’র গাওয়া খুব জনপ্রিয় একটি গান ‘নান পিং পর্বতে রাতের ঘণ্টা’ শুনবো।
ওয়াং সি ১৯৮৫ সালে চীনের লিয়াওনিং প্রদেশের ইং খৌ শহরের একটি সাধারণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছোট থেকে তিনি গান গাইতে অনেক পছন্দ করতেন। ১৫ বছর বয়সে ওয়াং সি প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে ভোকালিটি (vocality) শিখতে শুরু করেন। শিক্ষকের দৃষ্টিতে ওয়াং সি খুবই প্রতিভাবান এক ছাত্র। কিন্তু দুই বছরের মাথায় পরিবারের অর্থনৈতিক বোঝা কমানোর জন্য তিনি সংগীত শিখা ছেড়ে বাইরে কাজ করতে শুরু করেন। একজন অপেশাদার গায়ক হিসেবে ওয়াং সি বিভিন্ন জায়গায় পারফরমেন্স করেন।২০০৭ সালে ওয়াং সি তখনকার খুব জনপ্রিয় একটি টিভি সংগীত প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। পুরস্কার না পেলেও এই সুন্দর কণ্ঠ সবার কাছে বেশ পরিচিত হয়।বন্ধুরা, এখন শুনুন প্রতিযোগিতায় ওয়াং সি’র গাওয়া একটি সুন্দর গান ‘Yesenia’।
প্রতিযোগিতার পর ওয়াং সি সংগীত কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। প্রতিযোগিতার আগে ওয়াং সি’র বৈশিষ্ট্যময় সুন্দর কণ্ঠ মানুষের স্বীকার পায়। এ সময় ওয়াং সি তার প্রথম গান ‘নীল সেলো (cello)’ প্রকাশ করেন। গানে সুন্দরভাবে তার সংগীতের বৈশিষ্ট্য ফুটে ওঠে।বন্ধুরা, এখন এই সুন্দর গান শোনা যাক।
২০১১ সালে ওয়াং সি চীনা সংগীতশিল্পী সমিতি আয়োজিত প্রভাবশালী সংগীত প্রতিযোগিতা চীনা সংগীত গোল্ডেন বেল পুরস্কারে অংশ নেন। এতে তিনি অসাধারণ কৃতিত্ব দেখিয়ে প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন। এরপর ওয়াং সি চীনের বিখ্যাত সংগীত শিল্পী লি কু ই’র শিক্ষার্থী হন এবং চীনের নৌবাহিনীর নৃত্যগীতি দলে ভর্তি হন। এই প্রতিযোগিতা ওয়াং সির সংগীত জীবন পরিবর্তন করে দেয়।বন্ধুরা, এখন প্রতিযোগিতায় ওয়াং সি’র গাওয়া জনপ্রিয় গান ‘ঘনিষ্ঠ প্রণয়ী’ শুনবো।