‘এক অঞ্চল এক পথ উদ্যোগে’র মাধ্যমে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে সহায়তা করছে চীন
একই সময়ে, পায়রা পাওয়ার স্টেশন স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রায় ৮ হাজার ৪০০টি কর্মসংস্থান এবং প্রায় ৬ হাজার ৩০০ মানুষের জন্য বৃত্তিমূলক দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে, যা স্থানীয় এলাকার জন্য একটি সত্যিকারের প্রতিভা প্রশিক্ষণের ভিত্তি হয়ে উঠেছে।
চার বছর ধরে এই প্রকল্পে কাজ করা একজন বাংলাদেশী প্রকৌশলী হক বলেছেন, “প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত, চীনা প্রকৌশলীরা আমাকে ধাপে ধাপে অনেক কিছু শিখিয়েছে। আমি এখানে কাজ করতে পেরে খুব গর্বিত।” সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক অনেকেই আগে চাকরি পাননি, কিন্তু এই পাওয়ার স্টেশন তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছে।
হক আরো বলেন, “বিআরআই’র যৌথ নির্মাণ বাংলাদেশের জন্য অনেক উপকারি হয়েছে। পাওয়ার সেক্টর উপকৃত বিভিন্ন সেক্টরের মধ্যে একটি মাত্র। পায়রা পাওয়ার স্টেশন ছাড়াও, বাংলাদেশে অনেক জায়গা আছে যেগুলো 'বিআরআই'র যৌথ নির্মাণের কারণে বিকশিত হয়েছে।”
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, বাংলাদেশও নতুন শক্তির বিকাশের জন্য কঠোর চেষ্টা করছে। তবে, প্রযুক্তি, অভিজ্ঞতা এবং অর্থের অভাব দেশের শক্তির রূপান্তরকে বাধাগ্রস্ত করেছে এবং বাংলাদেশের ‘ভিশন ২০৪১’ বাস্তবায়নকেও প্রভাবিত করেছে। চীনা অংশীদারদের সম্পৃক্ততায় এ অবস্থার পরিবর্তিত হয়েছে।
২০১৯ সালে, চায়না হুয়াতিয়ান ওভারসিস ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানির নিয়ন্ত্রিত হুয়াশিন পাওয়ার কোম্পানির বিনিয়োগে ময়মনসিংহ ফটোভোলটাইক প্রকল্প নির্মাণ শুরু হয়। পরের বছরের শেষ নাগাদ প্রকল্প পরিচালনা শুরু হওয়ার পর, চীন থেকে প্রায় ১.৭ লাখ সৌর প্যানেল ময়মনসিংহ এলাকায় স্থাপিত হয়েছে। এসব প্যানেলের মাধ্যমে সৌর শক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করে হাজার হাজার পরিবারকে আলোকিত করা হয়েছে। বর্তমানে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশকে প্রতি বছর ৫০ হাজার টনের বেশি কার্বন নিঃসরণ কমাতে সাহায্য করে।