নাউরুতে চীনা প্রতিষ্ঠানের নির্মিত পিভি
বন্ধুরা, কর্মসূচী অনুযায়ী চীনা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে নাউরুর প্রথম ফোটোভোলটাইক পাওয়ার জেনারেশন ও শক্তি সঞ্চয় সিস্টেম প্রকল্প এ বছরের দ্বিতীয়ার্ধে নির্মাণ শেষ হবে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পর এটি পুরো দ্বীপ দেশের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাবে।
উল্লেখ্য, প্রায় একশ’ নাউরু কর্মী প্রকল্প নির্মাণে অংশগ্রহণ করেছেন। ২৯ বছর বয়সী জন স্কট বলেন, বর্তমান নাউরু প্রধানত ডিজেল জ্বালানি ব্যবহার করে বিদ্যুত্ উত্পাদন করে। খরচ বেশি ও দূষণ ভারী। তবে এখানে সূর্যালোকের সময় দীর্ঘ, যা সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য খুবই উপযোগী। বিশ্বাস করা যায়, এ প্রকল্প কেবল স্থানীয় বিদ্যুৎ সরবরাহই উন্নত করবে না, বরং পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রেও কল্যাণকর হবে।
এদিকে নাউরু’র দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি আধুনিক বন্দর তৈরি হচ্ছে। ক্রেন অপারেশনের গর্জনের মধ্যে হার্ড টুপি ও ওভারওল পরা শ্রমিকরা ব্যস্ততার মধ্যে কাজ করছেন।
এটি হলো চীনা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আইওও বন্দর আপগ্রেডিং ও রূপান্তর প্রকল্প। ২০১৯ সালে প্রকল্পটি নির্মাণ শুরু হয়। বর্তমান অধিকাংশ নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পটি নাউরুর জন্য উন্নত প্রযুক্তি এনে দেয় ও ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ দেশকে বিশ্বের সঙ্গে আরও দক্ষতার সাথে সংযুক্ত করেছে।
আইওও বন্দর প্রকল্পের ডেপুটি ম্যানিজার চু ওয়েই বলন, আগের বন্দরটি ছিল খুবই ছোট। কন্টেইনার জাহাজ সরাসরি ডক করতে পারতো না। প্রতি দুই মাসে একটি মাত্র কন্টেইনার জাহাজ আসত। বর্তমানে জাহাজ নতুন বন্দরে সরাসরি ডক করতে পারে। এমনকি মাসে একবার বা এমনকি ২০ দিনেও একটি কন্টেইনার জাহাজ আসতে পারে। তিনি নাউরুতে পাঁচ বছর ধরে কাজ করেছেন। তিনি প্রকল্পের ব্লুপ্রিন্ট থেকে বাস্তবতা ধাপে ধাপে প্রত্যক্ষ করেছেন।