‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগে চীন-নাউরু সহযোগিতা দ্রুত উন্নীত হচ্ছে
কোর্সের সময় চীনের জাতীয় জুনকাও প্রকল্প প্রযুক্তি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বিজ্ঞানী লিন চান বলেন, এ প্রযুক্তি সরলতা ও প্রমিতকরণ অর্জন করেছে। যেকোন পরিবার এ শিল্পে অংশগ্রহণ করতে পারে এবং উন্নীত করতে পারে। এর খরচ কম, অর্থনৈতিক সুবিধা উচ্চ এবং পরিবেশগত সুবিধা বেশি। এবারের প্রশিক্ষণের লক্ষ্য হলো প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ দেশগুলোয় ব্যাপকভাবে জুনকাও প্রযুক্তি উন্নীত করা এবং আরো বেশি উন্নয়নশীল দেশকে দারিদ্র্যবিমোচন ও কৃষির টেকসই উন্নয়নের সহায়তা করা।
যখন সি চিন পিং ফুচিয়ান প্রদেশে কাজ করতেন, তখন তিনি ব্যাপকভাবে জুনকাও বিজ্ঞানগত গবেষণার কাজ উন্নয়ন করতেন। তিনি নিংসিয়াও হুই জাতির স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলকে সহায়তা পরিকল্পনায় জুনকাও প্রযুক্তি ভূমিকা ত্বরান্বিত করেছেন। তাঁর উদ্যোগে জুনকাও প্রযুক্তি সহায়ক পরিকল্পনা হিসেবে পাপুয়া নিউ গিনিতে উন্নীত হয়েছে। এটি জুনকাও প্রযুক্তির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শুরু করে। এ পর্যন্ত জুনকাও প্রযুক্তি শতাধিক দেশ ও অঞ্চলে প্রয়োগ করা হয়েছে। অনেক দেশের জনগণ জুনকাওকে চীনা ঘাস ও সুখী ঘাস বলে অভিহিত করে।
নাউরুতে আরো ভালভাবে জুনকাও প্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য ফোয়েলেপ নিজের দেশে প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষামূলক পরিকল্পনা প্রণয়ন করবেন। তিনি আরো বেশি স্থানীয় কৃষককে জুনকাও চাষের আকর্ষণ করতে চান। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, জুনকাও প্রযুক্তি আমদানি করলে নাউরু’র খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা উন্নীত এবং জলবায়ুর পরিবর্তন মোকাবিলার সামর্থ্য উন্নয়ন করা যাবে।
নাউরু’র বহুসংস্কৃতি বিষয়ক বিভাগের মহাসচিব
ফোয়েলেপ ড্যানিয়েল আয়ো মনে করেন, চীনের সঙ্গে সহযোগিতা চালিয়ে নাউরুসহ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ দেশগুলোকে দারিদ্র্য বিমোচন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির আরো বেশি অভিজ্ঞতা অর্জন করত পারে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ দেশ ও সমগ্র অঞ্চলের সাধারণ উন্নয়নের জন্য সহায়ক।