‘মাখারুফেং’ বা মাখারু পর্বতশিখর
১৯৫৪ সালে, ফরাসি পর্বতারোহী দলের একজন সদস্য সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭৬৪০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত ‘মাখারুফেং’ ২-এ আরোহণ করেন। ১৯৭০ সালের সেপ্টেম্বরে, জাপানি পর্বতারোহী দলের দুই সদস্য দক্ষিণ-পূর্ব ‘ওয়েইফেং’-এ আরোহণ করেন, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮০১০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত। ১৯৫৫ সালের মে মাসে, ৯ জন ফরাসি পর্বতারোহী প্রথমবারের মতো নেপালের বাকাং হিমবাহ বরাবর উত্তর-পশ্চিম পর্বতের স্যাডল পেরিয়ে চীনের উত্তর-পশ্চিম চূড়ায় পৌঁছান।
‘লাপুচিখাং ফেং’ বা লাপুচিখাং পর্বতশিখর
হিমালয়ের মাঝখানে, ‘সিসিয়াপাংমা ফেং’ এবং ‘চুওআওইয়ৌ ফেং’-এর মধ্যে অবস্থিত ‘লাপুচিখাং ফেং’ বা লাপুচিখাং পর্বতশিখর। এটি তিব্বতের নিয়ালাম এবং টিংরি কাউন্টির মধ্যে সীমানা পর্বত। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭৩৬৭ মিটার উঁচুতে অবস্থিত। বাম ও ডান দিকে দুটি শিখর রয়েছে। পূর্ব শিখরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭০৯৪ মিটার উঁচুতে এবং পশ্চিম শিখরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭০৭২ মিটার উঁচুতে অবস্থিত। এই তিনটি শিখর অনেক দূরে প্রসারিত; প্রাকৃতিকভাবে পূর্ব, পশ্চিম, দক্ষিণ ও উত্তরে চারটি তীক্ষ্ণ শিখর নিয়ে গঠিত। এই বরফের শিখরগুলো কাঁটার মতো, বরফের ঢাল আয়নার মতো, হিমবাহগুলো রৌপ্য ক্যাসকেডের মতো। এসব মিলিয়ে ‘লাপুচিখাং ফেং’ দর্শনীয়। হিমালয়ের অন্যান্য তুষারশিখরগুলোর মতো, ‘লাপুচিখাং ফেং’ বা লাপুচিখাং পর্বতশিখরের চারপাশের জলবায়ু তীব্র এবং বিপজ্জনক। সেরা আরোহণের মরসুম এপ্রিল ও মে মাসের মধ্যে, তারপরে অক্টোবর ও নভেম্বর, যখন তুলনামূলকভাবে স্বল্প সময়ের জন্য ভালো আবহাওয়া থাকে। এই পর্বতটি তিব্বতের বিখ্যাত পবিত্র পর্বতগুলোর মধ্যে একটি।
প্রিয় শ্রোতা, আমাদের হাতে আর সময় নেই। আজকে এখানেই শেষ করতে হচ্ছে। আজকের ‘সিনচিয়াং থেকে তিব্বত’ এ পর্যন্তই। তবে, আগামী সপ্তাহে আমরা আবার আপনাদের সামনে হাজির হবো সিনচিয়াং ও তিব্বতের কোনো গল্প বা তথ্যভান্ডার নিয়ে। আপনারা আমাদের লিখুন। আমাদের ইমেইল ঠিকানা ben@cri.com.cn আমাদের ওয়েবসাইটেও আপনারা অনুষ্ঠান শুনতে পারেন। আমাদের ওয়েবসাইটের ঠিকানা: https://bengali.cri.cn/ সবাই ভাল থাকুন, সুন্দর থাকুন।