বাংলা

রাজকুমারী ওয়েনছেংয়ের প্রাসাদ—রামোচে মন্দির

CMGPublished: 2023-09-15 18:35:26
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

এই মন্দিরে ছাংআন থেকে রাজকুমারী ওয়েনছেং কর্তৃক আনা শাক্যমুনির ১২ বছর বয়সী প্রমাণ সাইজের মূর্তি স্থাপন করা হয়েছিল। আর জোখাং মন্দিরে কাঠমাণ্ড থেকে আনা ৮ বছর বয়সী শাক্যমুনির প্রমাণ সাইজের মূর্তি স্থাপন করা হয়। এই মূর্তিটি এনেছিলেন নেপালের রাজকুমারী চিজুন।

সোংটসান গাম্পোর মৃত্যুর পর, রাজকুমারী ওয়েনছেং জোখাং মন্দির ও রামোচে মন্দিরে রাখা শাক্যমুনির মূর্তিগুলো বিনিময়ের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাই এখন রামোচে মন্দিরে শাক্যমুনির ৮ বছর বয়সী মূর্তিটি সংরক্ষিত দেখা যায়। রামোচে মন্দিরে অনেক মূল্যবান সাংস্কৃতিক পূরাকীর্তি রয়েছে। এখানে আছে প্রায় ২ মিটার উঁচু ব্রোঞ্জের বোধিসত্ত্ব, প্রায় ১.৫৫ মিটার উঁচু পদ্মসম্ভবের ব্রোঞ্জ মূর্তি, এবং প্রায় ১.৩৩ মিটার উঁচু একটি মহিলার ব্রোঞ্জ মূর্তি। এগুলো পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

সারা মন্দির

সারা মন্দিরের পুরো নাম ‘সারা মহায়ানা দ্বীপ’, যা লাসার উত্তর শহরতলী থেকে ৩০০০ মিটার দূরে সারা উজি পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত। তিব্বতি ভাষায় ‘সারা’ মানে ‘বন্য গোলাপ’। কথিত আছে, মন্দিরটি যখন নির্মিত হয়, তখন চারপাশে বুনো গোলাপ ফুটে উঠেছিল; তাই এর নাম দেওয়া হয় ‘সারা মঠ’। এই মন্দিরটির নির্মাণকাজ ১৪১৯ খ্রিস্টাব্দে শুরু এবং ১৪৩৪ খ্রিস্টাব্দে শেষ হয়। সারা মন্দির ১ লাখ ১০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে রয়েছে।

মন্দিরটিতর অনেক মূল্যবান সাংস্কৃতিক অবশেষ সংরক্ষিত আছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ৫০০ বছরের পুরানো শাক্যমুনি বুদ্ধের সিল্ক মূর্তি। যদিও সারা মন্দির ড্রেপুং মঠের মতো বড় নয়, তবে এটি নানান কারণে বিখ্যাত। ‘সূত্র বিতর্ক’-কে তিব্বতি ভাষায় ‘ছুননিচুওপা’ বলা হয়, যার অর্থ ‘ধর্ম’। এটি তিব্বতি বৌদ্ধ লামাদের জন্য সূত্র অধ্যয়নের একটি প্রয়োজনীয় উপায়। তাদের বেশিরভাগই খোলা জায়গায় বা মন্দিরে গাছের ছায়ায় সূত্র অধ্যয়ন করেন।

首页上一页123全文 3 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn