সিছুয়ান-তিব্বত মহাসড়ক ও গ্রাম পুনরুজ্জীবনের গল্প
থুয়ানচিয়ে গ্রামে 'নতুন গ্রাম নির্মাণ পরিকল্পনা' বাস্তবায়ন করা হয়েছে। গ্রামটি 'জাতীয় সভ্যতা গ্রাম ও থানা', 'মরিচ উত্পাদন গ্রাম' ও 'বছরে মাথাপিছু আয় ১০ হাজার ইউয়ান গ্রাম'-এর মর্যাদা লাভ করেছে। গ্রিনহাউসে মাশরুম চাষ করার মাধ্যমে গ্রামবাসীরা দারিদ্র্যমুক্ত হয়েছেন। কিন্তু থুয়ানচিয়ে গ্রামের সমৃদ্ধ হবার প্রক্রিয়া এখনও চলছে। তাঁরা বর্তমানে গ্রিনহাউসে চীনা ঔষধি গাছ চাষের চেষ্টা করছেন।
দ্বিতীয় গল্পটি চীনের ইয়াচিয়াংসং শিল্পক্ষেত্রের। শিল্পক্ষেত্রটি গানজি বান্নারের ইয়াচিয়াং জেলার বাজিয়াওলৌ থানার রিজি গ্রামে ও ৩১৮ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে অবস্থিত। ইয়াজিয়াং জেলায় উত্পাদিত মাশরুমের পরিমাণ বেশি ও মান উচ্চ এবং চীনে খুবই জনপ্রিয়। ২০১৩ সালের এপ্রিলে চীনা মাশরুম সমিতি জেলাটিকে 'চীনা সংরং মাশরুম জেলা'-র মর্যাদা প্রদান করে। কিন্তু সংরং মাশরুম চাষ করা কঠিন। এজন্য ইয়াজিয়াং জেলা সংরং শিল্পক্ষেত্র নির্মাণ করেছে, যাতে খাবার-মাশরুমের শিল্পচেইন গড়ে তোলা যায়। জেলাটির কৃষি ও পশুপালন এবং গ্রাম ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি ব্যুরোর পরিচালক লিউ তি ওয়া এ সম্পর্কে বলেন, ‘জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রাকৃতিক সংরং মাশরুম চাষের সময়। কোনো কোনো বছরে অক্টোবর পর্যন্ত চাষ হয়। সেজন্য আমরা প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করতে থাকি। আমরা সমগ্র শিল্পচেইন গড়ে তোলার চেষ্টা করি। গ্রিনহাউস প্রযুক্তিতে সারা বছরজুড়ে মাশরুম চাষ করা যায়।’ এখন সংরং ছাড়াও মাশরুমক্ষেত্রে অন্য কয়েক ধরনের মাশরুম চাষ করা যায়।
সমুদ্রতল থেকে ৩ হাজার মিটার উঁচুতে অবস্থিত বাথাং জেলার সংদুও থানার সংদুও গ্রামের গ্রিনহাউস সবজিক্ষেত্র হল আজকের অনুষ্ঠানের তৃতীয় গল্পের বিষয়। বাথাং জেলায় প্রচুর ফসল জন্মে। এখানে আপেল, আখরোট, ও সংরং মাশরুম চাষ করা যায়। কিন্তু স্থানীয় সবজির বৈচিত্র্য তেমন নাই। সেজন্য জেলাটিতে সবজির ঘাটতি ছিল। মালভূমি প্রাকৃতিক কৃষি উন্নয়ন কোম্পানির ব্যবস্থাপক মেং ফান ছিয়াং বলেন, বাথাংর কৃষিবাজারের অনেক সবজি ছেংতু ও ইউননান থেকে আসতো। পরিবহনের খরচ বেশি, সেজন্য দাম বেশি ছিল।