পেরুতে সি চিন পিংয়ের সফর প্রসঙ্গ
প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যখন বিমানবন্দর থেকে তার হোটেলে গাড়িতে যাচ্ছিলেন, তখন প্রবাসী চীনা, চীনা অর্থায়নে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ, ছাত্র-ছাত্রীরা এবং স্থানীয় জনগণ তাকে স্বাগত জানাতে রাস্তায় সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। তাঁরা চীন ও পেরুর জাতীয় পতাকা নেড়ে তাকে স্বাগত জানান। এ সময় তাঁরা ‘প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের পেরু সফল হোক!’ ও ‘চীন-পেরু মৈত্রী দীর্ঘজীবী হোক’ লেখা ব্যানার বহন করেন। কেউ কেউ ড্রাম বাজিয়ে এবং ড্রাগন ও সিংহ নাচের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট সি-কে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
চীনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি সি চিন পিংয়ের দ্বিতীয় পেরু সফর। আট বছর পর তিনি আবার পেরু সফরে গেলেন। তার সফরের দিনে, তিনি পেরুর প্রেসিডেন্টের সাথে বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিষয়ে গভীরভাবে মতবিনিময় করেন। তিনি বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানেও যোগ দিচ্ছেন ও দেবেন।
বিশেষভাবে উল্লেখ করার মতো যে, এই সফরে চীন ও পেরুর শীর্ষনেতৃবৃন্দ একযোগে ভিডিও-লিঙ্কের মাধ্যমে ছানকেই বন্দরের নির্মাণকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের’ আওতায় দু’দেশ যৌথভাবে এই বন্দর নির্মাণ করছে। নির্মাণকাজ শেষ হলে এটি হবে দক্ষিণ আমেরিকার প্রথম স্মার্ট বন্দর। ছানকেই বন্দর প্রকল্পের প্রথম ধাপ শেষ হলে, পেরু থেকে চীনে নৌপথে যাতায়াতের সময় ২৩ দিনে কমে আসবে; ২০ শতাংশেরও বেশি লজিস্টিক খরচ বাঁচবে; এবং পেরুর জন্য বছরে ৪৫০ কোটি মার্কিন ডলার রাজস্ব সৃষ্টি হবে।
সফরের আগে, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ‘এল পেরুভিয়ান’ নামক স্থানীয় একটি পত্রিকায় প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলেন, দু’দেশের উচিত যৌথভাবে ছানকেই বন্দরটি ভালোভাবে নির্মাণ ও পরিচালনা করা, যাতে ‘ছানকেই থেকে শাংহাই পর্যন্ত’ সত্যিকার অর্থে সহযোগিতা এগিয়ে নিতে এটি একটি প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠতে পারে।
এবারের প্রেসিডেন্ট সি’র পেরু সফরের ওপর বেশ গুরুত্বারোপ করছে পেরু। চায়না মিডিয়া গ্রুপ