চীনের জাতীয় কংগ্রেসের স্থায়ী কমিটিতে প্রবীণদের যত্নসংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন পর্যালোচনা প্রসঙ্গ
সেপ্টেম্বর ১১: চীনারা যখন মধ্যবয়সে পৌঁছান, তখন তাদেরকে সাধারণত নিজেদের বৃদ্ধ পিতামাতার যত্ন নিতে হয় এবং পাশাপাশি, নিজেদের সন্তানদের দেখভালও করে যেতে হয়। মধ্যবয়সী অনেক চীনাকে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। গতকাল (মঙ্গলবার) সকালে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত, জাতীয় গণকংগ্রেসের স্থায়ী কমিটির নিয়মিত সভায়, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় এ ইস্যুতে রাষ্ট্রীয় পরিষদের একটি প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে প্রবীণদের যত্ন ও শিশুদের যত্নের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘ছোটদের বড় হওয়ার প্রক্রিয়ায় মনোযোগ বাড়ানো দরকার এবং বয়স্কদের যত্নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নেওয়া দরকার’। আর এ বিষয়টি হাজার হাজার পরিবারের সুখ এবং সামাজিক সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতার সাথে জড়িত।
চীনে প্রবীণদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়াছে; পাশাপাশি বাড়ছে, শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা হারানো এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত প্রবীণদের সংখ্যা। এ সংখ্যা বছর বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ধরণের প্রবীণদের যত্ন নেওয়া সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর জন্য সহজ কাজ নয়। এটা এখন একটা সামাজিক সংকটে পরিণত হয়েছে।
বেসামরিক প্রশাসন মন্ত্রী লু চি ইউয়ান এনপিসি’র সামনে পূর্ণাঙ্গ প্রবীণ সেবাব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ এগিয়ে নেওয়া এবং শারীরিক বা মানসিক সক্ষমতা হারানো প্রবীণদের যত্ন নেওয়ার কাজ জোরদার ও উন্নয়ন করাসংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন। তিনি বলেন:
“বর্তমানে চীনে শারীরিক বা মানসিক সক্ষমতা হারানো প্রবীণের সংখ্যা ৩ কোটি ৫০ লাখের কাছাকাছি। পরিবারে, এমন একজন প্রবীণ থাকলে, গোটা পরিবারই কমবেশি ভারসাম্যহীন হয়ে যায়। চীনে এমন প্রবীণদের যত্নআত্তির বিষয়টি এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। এ নিয়ে অনেক কাজ করা দরকার। এ ব্যাপারে যথাযথ নীতিমালা প্রণয়নও জরুরি।”