চীনের উত্পাদন-শিল্প ক্রমশ উন্নত হচ্ছে
অন্যদিকে, ২০০৯ সাল থেকে চীন বহু বছর ধরে, টানা বিশ্ব মালামাল বাণিজ্যের প্রথম রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে আছে। চীনা উত্পাদনের আন্তর্জাতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা-ক্ষমতা বাড়ছে। নয়াচীন প্রতিষ্ঠার শুরুর দিকে, চীনা রপ্তানিকৃত পণ্যগুলির ৮০ শতাংশের বেশি ছিল প্রাথমিক পর্যায়ের পণ্য। ২০২৩ সালে যন্ত্রপাতি ও বৈদ্যুতিক সামগ্রী রপ্তানির মোট পরিমাণ ছিল ৫৮.৫ শতাংশ। একই বছর চীন প্রথমবারের মতো বিশ্বের বৃহত্তম গাড়ি রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়।
চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি)-র ১৮তম জাতীয় কংগ্রেস থেকে চীন আধুনিক শিল্পব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কাজ দ্রুততর করে; ঐতিহ্যগত শিল্পের রূপান্তর ও আপগ্রেড করেছে; প্রাধান্য শিল্প সুসংহত ও উন্নত করেছে; ট্র্যাকনির্ভর যানবাহন সাজ-সরঞ্জাম, বুদ্ধিমান নেটওয়ার্ক নতুন জ্বালানিচালিত গাড়ি, ফটোভোলটাইক ও লিথিয়াম ব্যাটারিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের সমগ্র শিল্পচেইনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা-ক্ষমতা উন্নত করেছে। নবোদিত শিল্প বাড়িয়ে, জৈব উত্পাদন, বাণিজ্যিক মহাকাশযান ও নিম্ব-আকাশ অর্থনীতিতে নতুন প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ভবিষ্যতে শিল্পের দূরদর্শী বিন্যাস ঘটিয়ে, মানবিক রোবট, ৬জি ও পারমাণবিক উত্পাদনসহ নতুন ক্ষেত্র বিন্যাস করা হবে।
চীনা উত্পাদনের ভিত্তি অব্যাহতভাবে দৃঢ় হয়ে উঠছে; বিশ্বের একমাত্র উত্পাদন শিল্পের পুরো শিল্পচেইন দেশে পরিণত হয়েছে চীন। শিল্পচেইন ও সরবরাহ-চেইনের স্বায়ত্তশাসিত ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য ক্ষমতা বাড়ছে। শিল্পচেইন ও সরবরাহ-চেইনের বলিষ্ঠতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা-ক্ষমতা ধারাবাহিকভাবে উন্নত হচ্ছে।
চীনের শিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী চিন চুয়াংলোং জানান, যদিও চীনের শিল্পে অনেক অগ্রগতি হয়েছে, তবুও বড় থেকে শক্তিশালী হবার গুরুত্বপূর্ণ সময়পর্বে রয়ে গেছে দেশ। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় প্রযুক্তি ও শিল্পের মৌলিক দক্ষতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্পষ্ট দুর্বলতা আছে। ভবিষ্যতে অব্যাহতভাবে সংস্কার গভীরতর ও উন্মুক্তকরণ সম্প্রসারণ, উচ্চমানের উন্নয়ন ও উচ্চমানের নিরাপত্তা সামগ্রিকভাবে পরিকল্পনা করে, ব্যাপকভাবে নতুন ধরনের শিল্পায়ন প্রচার করতে হবে।