আকাশ ছুঁতে চাই ১৬
সান চেন চং বলেন- "আমি কৃষিকাজকে বেছে নেওয়ার পরে , অনেক লোক জিজ্ঞাসা করছে যে আমার পিএইচডির শিক্ষা ও আমার প্রতিভা কৃষিকাজ করতে গিয়ে নষ্ট হচ্ছে কিনা৷ এর উত্তর হলো, না, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে জ্ঞান শিখেছি তা বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহার করতে পারছি”।
এই নারী কৃষি উদ্যোক্তা শুধু নিজ শহরেই নয়, অন্যান্য প্রদেশেও স্মার্ট ফার্ম করতে কৃষকদের করছেন উৎসাহিত। এছাড়া পুরো দক্ষিণ চিয়াংসু অঞ্চলে যান্ত্রিকভাবে এবং বড় আকারের সরিষা রোপণেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি।
প্রথম বছর ট্রায়ালের পর দ্বিতীয় বছরে আরও ভাল করার প্রত্যাশা নিয়ে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষিকাজ করে যেতে চান এই উদ্যোক্তা নারী ।
প্রতিবেদন : আফরিন মিম
সম্পাদনা: শান্তা মারিয়া
নতুন পেশায় সাফল্য পেলেন নারী মৎস্যজীবী সুই লানচি
চীনের পরিবেশ সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন নারীরা। ইয়াংজি নদীর পরিবেশ রক্ষায় অনেক নারী ভালো অবদান রাখছেন। ইয়াংজি নদীতে দশ বছরের জন্য মাছ ধরা নিষিদ্ধ করার ফলে অনেক মৎস্যজীবী নারী বিকল্প পেশা বেছে নিচ্ছেন। তারা বিকল্প পেশায় সাফল্য পাচ্ছেন। এমনি একজন নারী সুই লানচি। চলুন শোনা যাক তার জীবনের গল্প।
চীনের কুইচোৗ প্রদেশের ইয়ানহ্য কাউন্টির একটি গ্রামের বাসিন্দা সুই লানচি। ৪৫ বছর বয়স তার। তিনি এই এলাকার অন্যতম সেরা খাবার হোটেল চালান। এটা তার নতুন পেশা।
সুই লানচি ছিলেন মৎস্যজীবী নারী। তাদের গ্রামের পাশেই উচিয়াং নদী। এটি ইয়াংজি নদীর একটি শাখা নদী।
সুই লানচি ও তার স্বামী মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন। বছরে ১০০ দিন মাছ ধরে তাদের আয় হতো ৪০ হাজার ইউয়ানের বেশি।
সুই বলেন, ‘মাছ ধরা খুব কঠিন পেশা। আমাদের নৌকায় বাস করতে হতো। অনেক সময় নদীতে পড়েও গিয়েছি। তবে আমরা দুজনেই খুব ভালো সাঁতার জানি। তাই কোন বড় বিপদ হয়নি।’