আকাশ ছুঁতে চাই ১৬
পূর্ব চীনের চিয়াংসু প্রদেশের চেনচিয়াং সিটির প্রযুক্তি-সচেতন নারী কৃষি উদোক্তা সান চেনচং। যিনি ফসল উৎপাদনে ব্যবহার করছেন ডিজিটাল প্রযুক্তি।
সান চেন চং পিকিং ইউনিভার্সিটির সাবেক পোস্ট-ডক্টরাল ফেলো । ২০১৭ সালে চাকরি ছেড়ে দিয়ে ফিরে আসেন নিজ শহরে। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষিকাজকে আপন করে নেন তিনি। শুরু করেন কৃষিকাজ। ধীরে ধীরে স্মার্ট কৃষিতে বিশেষজ্ঞ হয়ে ওঠেন।
চেনচিয়াংয়ে এই নারী কৃষি উদোক্তা কৃষি প্রক্রিয়ার যান্ত্রিকীকরণ এবং ডিজিটালাইজেশন করার মাধ্যমে সূচনা করেছেন নূতন দিগন্তের। রিমোট-নিয়ন্ত্রিত সেন্সরগুলোর সাহায্যে তারা পুরো খামারটিকে করেছেন কয়েকটি ভাগ । পাশাপাশি ফসলের অগ্রগতি এবং মৌলিক অবস্থার ট্র্যাক করতে প্রতিটি বিভাগে চালু করা হয়েছে ডিজিটাল কোড ।
সান চেন চং বলেন- "এটি আমাদের ডিজিটাল ফার্মল্যান্ডের ভিত্তি। আপনি দেখতে পাচ্ছেন, খামারের জমির সংখ্যা দেওয়া আছে, এবং প্রতিটি প্যাচের নিজস্ব কিউ আর কোড রয়েছে। কাজটি হল চাষের কার্যক্রমের সময়সূচী করা এবং প্রতিটি প্যাচে হ্যান্ড-অন তথ্য পাওয়া ।’
ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে শস্য রক্ষণাবেক্ষণে যেমন সুবিধা তেমনি সর্বোপরি ফসলের উৎপাদনও বাড়ে কয়েকগুণ।
এই নারী উদোক্তা জ্ঞান ও ফিল্ডওয়ার্কের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ক্ষেতে ধানের চারা পরিবহনে ব্যবহার করছেন শিল্পে ব্যবহৃত বিশেষ কার্ট। এতে করে কম সময়ে ,খুব সহজেই চারা রোপণ করতে পারছে কৃষকরা।
আধুনিক প্রযুক্তি যেমন প্রাকৃতিক ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা, মানববিহীন যানবাহন এবং রিমোট-নিয়ন্ত্রিত সেন্সর ডেটা প্রয়োগ করা হচ্ছে কৃষি উৎপাদনে। একই সাথে এই আধুনিক প্রযুক্তি সঠিকভাবে জলবায়ুর প্রভাব মূল্যায়ন করতে পারে, যথাযথভাবে সার ব্যবহার করতে পারে এবং ভবিষ্যৎ চাষের পরিকল্পনা করতে পারে।