আকাশ ছুঁতে চাই ১৬
একসময় তাদের আয় কমতে থাকে। কারণ নদীতে মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছিল। ২০১৩ সালে তারা বিকল্প পেশার খোঁজে নামেন। তিন লাখ ইউয়ান ব্যয় করে তারা নিজেদের বাড়িতেই খাবার হোটেল চালু করেন। তবে তখনও তারা মাছ ধরতেন ক্রেতাদের তাজা মাছ খাওয়ানোর জন্য।
ছবি: সুই লানচির খাবার হোটেল
২০১৯ সালে মাছ ধরা পেশা ছেড়ে দেন সুই। কারণ ইয়াংজি নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য এই নদীতে দশ বছরের জন্য মাছ ধরা নিষেধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সরকার থেকে সুইকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হয় ৭০ হাজার ইউয়ান। এই অর্থ নিজের ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন তিনি। বর্তমানে ২০০ মানুষ একসাথে এখানে খেতে পারে। দিনে তার আয় হয় প্রায় তিন হাজার ইউয়ান। মৌসুম বেশি থাকলে আরও বেশি।
সুই বলেন, ‘এখন আবহাওয়া উষ্ণ হচ্ছে। অনেক মানুষ বেড়াতে বের হন। আমার এখানে খেতে আসেন অনেকেই। দূর দূরান্ত থেকে গাড়ি নিয়েও অনেকে আসেন। দিনে ৫হাজার ইউয়ান আয় হচ্ছে এখন।’
সুই লানচির মতো অনেক মৎস্যজীবী এখন স্থানীয় সরকারের সহায়তায় বিকল্প পেশায় সাফল্য পাচ্ছেন। ইয়াংজি নদীতে মাছধরা নিষেধাজ্ঞার ফলে নদীর পরিবেশ উন্নত হচ্ছে। ফিরে আসছে অনেক বিলুপ্তপ্রায় জলজ প্রাণী। ইয়াংজি নদীর শুশুকসহ বেশ কিছু জলজ প্রাণী ও অনেক প্রজাতির মাছ রক্ষা পাচ্ছে বিলুপ্তি থেকে। পাশাপাশি সাবেক মৎস্যজীবীরাও খুঁজে নিচ্ছেন বিকল্প আয়ের পথ।
প্রতিবেদন : শান্তা মারিয়া
সম্পাদনা: রহমান
সুপ্রিয় শ্রোতা আকাশ ছুঁতে চাই অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পৌছে গেছি আমরা।
অনুষ্ঠানটি কেমন লাগছে সে বিষয়ে জানাতে পারেন আমাদের কাছে। আপনাদের যে কোন পরামর্শ, মতামত সাদরে গৃহীত হবে। আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। আবার কথা হবে আগামি সপ্তাহে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। চাই চিয়েন।
সার্বিক সম্পাদনা : ইয়ু কুয়াং ইউয়ে আনন্দী
লেখা, গ্রন্থনা ও উপস্থাপনা: শান্তা মারিয়া,
অডিও এডিটিং: রফিক বিপুল