‘বিজনেস টাইম’ পর্ব- ৩৬
চীন ও চীনের বাইরের দুনিয়ার ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনীতি-উন্নয়নের হালচাল নিয়ে নিয়মিত সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান ‘বিজনেস টাইম’।
বিজনেস টাইম’ য়ের এই পর্বে থাকছে:
Ø বাংলাদেশের সৌর ও বায়ু শক্তির উন্নয়নের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে সাক্ষাৎকারে চীনা ব্যবসায়ী
Ø হলুদ সাগরে চীন স্থাপন করেছে ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ তৈরির অভিনব প্লাটফর্ম
ইয়েলো সাগরে চীনের শানতোং উপসাগরীয় অঞ্চলে তৈরি হচ্ছে একটি ভিন্নধর্মী সোলার প্যানেল। সাগরে ভাসমান সোলার প্লাটফর্মটিকে বলা হচ্ছে ঢেউ প্রতিরোধী। অর্থাৎ সমুদ্রের ঢেউয়ের মাঝেও বিদ্যুৎ উৎপাদনে কোনো বাধার মুখে পড়বে না এটি।
৪৩৪টি ফটোভোলটাইক প্যানেল সমৃদ্ধ ইয়েলো সি নম্বর ১ নামের প্লাটফর্মটির নির্মাণকাজ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। অচিরেই এটি এক বছরের জন্য পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করবে। মূলত সাগরের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কোন ধরনের প্যানেল কী পরিমাণ বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারবে সেটারই পরীক্ষা করা হবে প্লাটফর্মটিতে।
ভাসমান প্লাটফর্মটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সাড়ে ৭ মিটার উঁচুতে। নিচে অনেকগুলো বয়ার মাধ্যমে ভেসে থাকছে এটি। সমুদ্রের ঢেউ ও পানির স্রোত অনায়াসে চলে যেতে পারবে এর তলা দিয়ে।
প্রকল্পের প্রকৌশলী বলেন,
‘ঢেউয়ের পানি যদি ফটোভোলটাইক প্যানেলে লাগে, তবে লবণের স্ফটিক তৈরি হবে এবং এতে করে প্যানেল ও অন্যান্য সরঞ্জামের ক্ষতি হবে। তাই পুরো প্ল্যাটফর্মটিকে সমুদ্রের উপরে এমন এক স্তরে স্থাপন করা হয়েছে যাতে আগামী ৫০ বছরে সমুদ্রের পরিস্থিতি যেমনই হোক, সাগরের পানি প্যানেলের সংস্পর্শে আসবে না।’
ভাসমান এই প্লাটফর্মটি যেখানে স্থাপন করা হয়েছে, সেখানে পানির গভীরতা ৩০ মিটারেরও বেশি। তাই উত্তাল সাগরের সঙ্গে মোকাবিলা করতে প্লাটফর্মের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া আছে ৬টি নোঙর। এগুলোর প্রতিটির ওজন ৫৫ টন। ২৫৬ মিটার জুড়ে ছড়ানো এই নোঙরগুলোর কারণে প্লাটফর্মটি সমুদ্রতলে বেশ শক্তপোক্তভাবেই বসে থাকবে।