বাংলা

মেড ইন চায়না: পর্ব-২৬: ফ্রায়েড রাইস

CMGPublished: 2024-11-23 17:56:08
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

সুই রাজবংশের অনেক অনেক দিন পর ১৩৬৮ সালে শুরু হওয়া মিং রাজবংশের সময় মূলত চীনজুড়ে আলাদা একটি ডিশ হিসেবে জনপ্রিয়তা পায় ছাওফান। এর আগ পর্যন্ত ফ্রায়েড রাইস ছিল মূলত বেঁচে যাওয়া ভাতকে কাজে লাগানোর একটা উপায়। অর্থাৎ খাবারের অপচয় বন্ধ করতেই মূলত ফ্রায়েড রাইসের উদ্ভব হয় চীনে। সবজি, মাংস ও সয়া সস দিয়ে ভেজে নিতেই দেখা গেল ওই ভাতের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বেড়ে যায় অনেকটা। আর এ কারণে জনপ্রিয়তা পেতে ফ্রায়েড রাইসকে বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি।

এর মাঝে চীনের কিছু কিছু প্রদেশে ফ্রায়েড রাইসের রেসিপিতে আসে ভিন্নতা। যেমন ফুচিয়ান প্রদেশে যে ফ্রায়েড রাইসটি জনপ্রিয় হয় সেটার সস হয় বেশ ঘন এবং এতে মাংস ও সবজির সঙ্গে মাশরুমও থাকে। আবার সিছুয়ানের ফ্রায়েড রাইস হয় খানিকটা ঝাল। এতে মেশানো হয় বিশেষ একটি চিলি সস, রসুন, পেঁয়াজের পাতা ও পেঁয়াজ। অন্যদিকে ইয়াংচৌ প্রদেশের আদি অকৃত্রিম ফ্রায়েড রাইসে থাকে বেশি পরিমাণ চিংড়ি, ডিম বারবিকিউ করা মাংস। চীনের রেস্তোরাঁগুলোয় কিন্তু এই ইয়াংচৌ ফ্রায়েড রাইসের চাহিদাই বেশি। এমনকি এটাকে অনেক জায়গায় স্পেশাল ফ্রায়েড রাইস নামেও ডাকা হয়।

অনুষ্ঠানের এই পর্যায়ে চলুন ফ্রায়েড রাইস নিয়ে কিছু তথ্য শোনা যাক শান্তা মারিয়ার কাছ থেকে—

১। দেড় হাজার বছর আগেকার চীনের ফ্রায়েড রাইস আমেরিকায় আসে উনবিংশ শতকের শুরুর দিকে। ওই সময় ধীরে ধীরে এটি ইউরোপেও জনপ্রিয় হতে থাকে।

২। ফ্রায়েড রাইস তৈরিতে সাধারণত একদিন আগে রান্না করা ভাত ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে ভাত রান্না করে তা ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে দিতে হয়। তবে আগেকার মতো এখনও অনেকে ফ্রায়েড রাইস তৈরির জন্য ভাত রান্না করে সেটাকে রোদে শুকিয়ে ঝরঝরে করে নেয়।

৩। ফ্রায়েড রাইস রান্নায় কড়াইকে বেশ উত্তপ্ত করে নিতে হয়। এ নিয়ে দ্য জার্নাল অব দ্য রয়েল সোসাইটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, কড়াইকে ১২শ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো উত্তপ্ত করে তৈরি করা যায় নিখুঁত ফ্রায়েড রাইস। অবশ্য, এত উচ্চতাপে খাবারটা পুড়িয়ে ফেলতে না চাইলে, রান্না করতে হবে দক্ষ হাতে।

首页上一页123全文 3 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn