বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হবে ‘চীনা-বাংলা সাহিত্যসংলাপ’

- জন অংশগ্রহণ করেছেন।

আগামীকাল(শনিবার) 'চীনা-বাংলা সাহিত্যসংলাপ' বেইজিংয়ে চীনের বিখ্যাত সাহিত্যিক লুসুনের প্রাক্তন বাসভবনে আড়ম্বরপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৬ সালে চীন ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যৌথভাবে ২০১৭ সালকে দু'দেশের মৈত্রী বর্ষ হিসেবে নির্ধারণ করেন। এবারের সাহিত্যসংলাপ হল মৈত্রী বর্ষ ‌উদযাপন অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা দু'দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময় ত্বরান্বিত করার গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

চীন আন্তর্জাতিক বেতারের বাংলা বিভাগ এবং চীনের প্রকাশনা ও প্রচার সংস্থার যৌথ উদ্যোগে এবং চীনে বাংলাদেশ দূতাবাস, বেইজিং নং ৩৫ মাধ্যমিক স্কুল এবং চায়না ডটকমের সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে।

সংলাপে চীনের লুসুন সাংস্কৃতিক তহবিল, বেইজিং বিশ্ববিদ্যালয়, চীন যোগাযোগ বিশ্ববিদ্যালয়, বেইজিং ফরেন স্টাডিজ ইউনিভার্সিটিসহ বিভিন্ন সংস্থার বিশেষজ্ঞ ও পণ্ডিতরা যৌথভাবে চীনের বিখ্যাত সাহিত্যিক, চিন্তাবিদ ও শিক্ষাবিদ লুসুন এবং বাংলাদেশের বিখ্যাত কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম, চীন ও বাংলাদেশের সাহিত্যকর্ম অনুবাদ এবং চীনা ও বাংলা ভাষার শিক্ষাদানসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।

লুসুনের (২৫ সেপ্টেম্বর ১৮৮১-১৯ অক্টোবর ১৯৩৬) সাহিত্যকর্মে অসংখ্য চীনা জনগণের গণতান্ত্রিক চেতনা জেগে উঠেছে। ১৯১৯ সালের পর চীনের সমাজের চিন্তা ও সংস্কৃতির উন্নয়নে লুসুন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাকে '২০ শতাব্দীর পূর্ব এশিয়ার সাংস্কৃতিক মানচিত্রে বৃহত্তম ভূমি দখল করা লেখক' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এর সঙ্গে কাজী নজরুল ইসলামও ঠিক একই যুগে থাকেন। তিনি তার কলমকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে অসংখ্য দেশপ্রেমিককে জাগিয়ে তুলেছেন। ঔপনিবেশকতাবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে রচনা করেছেন কবিতা।


খবর :
সর্বশেষ খবর চীন বিশ্ব দক্ষিণ এশিয়া

চীনা ভাষা শিখুন সংস্কৃতি জীবন বাণিজ্য চীনের বিশ্বকোষ