বাংলা

পাহাড়ী ঈগলের দল

CMGPublished: 2024-04-07 10:12:18
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

পাহাড়ী ঈগলের দল’ চীনের মূল—ভূখণ্ডের একটি সংখ্যালঘু জাতির সংগীত গ্রুপ। গ্রুপের তিনজন সদস্য চিখ্যছুইবু, ওয়াছিইশে ও শামালাছিয়ে চীনে জন্ম নেওয়া ই জাতির মানুষ। ১৯৯৩ সালের ফেব্রুয়ারি ঈগল চিখ্যছুইবু, কালো ঈগল ওয়াছিইশে, ছোট ঈগল আওচিয়েআগে এবং ১২ জন নৃত্যশিল্পীর সঙ্গে একটি লোক শিল্পদল গঠন করেন। প্রদেশের সাবেক গভর্নর তাদের ‘পাহাড়ী ঈগলের দল’ নামটা দেন। প্রথম অ্যালবাম ‘আমি আমার জন্মস্থানকে ভালোবাসি’ প্রকাশ করার মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে শোবিজ জগতে পা রাখেন।

১৯৯৪ সালের আগস্টে সংগীত গ্রুপের মূল গান প্যাসিফিক অডিও ও ভিডিও কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক ছেন শিয়াওছি’র দৃষ্টি আকর্ষণ করে। কোম্পানি তাদের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে। একই বছর সংগীত গ্রুপ প্রথম ম্যান্ডারিন অ্যালবাম ‘তালিয়াং পবর্ত থেকে বেরিয়ে যায়’ প্রকাশ করে। অ্যালবাম বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গে চীনের সংগীত জগতে ব্যাপক আলোড়ন তোলে। ৫ লাখের বেশি অ্যালবাম বিক্রি হয়। একই সময় কুয়াংচৌ, নানচিং ও উহানসহ চীনের বিভিন্ন শহরে সাফল্যের সঙ্গে ‘পাহাড়ী ঈগল ফ্যানস ক্লাব’ প্রতিষ্ঠিত হয়।

“কে না বলে যে লিয়াংশান একটি চিত্রকর্ম? ই পরিবারের মেয়েরা চিত্রকর্মের ফুল। ভাই তোমার দিকে প্রতিদিন তাকায়। মুখে মেঘ দেখতে পাচ্ছি। ভাই তোমার দিকে প্রতিদিন তাকায়। ভাই শুধু সোমা ফুল পছন্দ করে। হে সুন্দর সোমা ফুল। ওরে, কোমল সোমা ফুল। হে, চতুর সোমা ফুল। লিয়াংশানের সোমা ফুল। কে না বলে যে লিয়াংশান একটি স্বপ্ন? ই পরিবারের মেয়েরা স্বপ্নের ফুল”। বন্ধুরা, কথাগুলি ‘পাহাড়ী ঈগলের দল’-এর গান ‘সোমা ফুল’ থেকে নেওয়া। গানটিও তাদের ‘তালিয়াং পবর্ত থেকে বেরিয়ে যায়’ অ্যালবামে ছিল।

বন্ধুরা, ২০০৩ সালের ১ ডিসেম্বরে ‘পাহাড়ী ঈগলের দল’তাঁদের প্রথম ই ভাষা অ্যালবাম “দুঃখের মাতৃভাষা” প্রকাশ করে। এটি ছিল আত্মঅনুসন্ধানী একটি অ্যালবাম। বহু বছরের চেষ্টার পর সংগীত গ্রুপের নিজের রেকর্ডিং স্টুডিও এবং কার্যালয় হয়েছে। এর ফলে নিজেদের মাতৃভাষায় গান করার সুযোগ হয় দলটির। তাহলে বন্ধুরা, এখন আমি অ্যালবামে রাখা ‘একটি মাতৃভাষার গান’ নামে গানটি আপনাদের শোনাবো, কেমন?

12全文 2 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn