সিচাং মাখাংয়ের হাজার বছরের পুরনো লবণক্ষেত নিয়ে নতুন গল্প
২০২৩ সালে ছাংতং শহর মাংখাং প্রাচীন লবণক্ষেত্রের সুরক্ষার জন্য একটি নিয়ম প্রকাশ করে। খনিজ ও অণুজীবের ক্রিয়াকলাপের অধীনে, পাহাড়ের ধারে ‘প্যালেট’-র মতো ব্রাইনটি বিভিন্ন রঙে উপস্থিত হয়।
বর্তমানে চমত্কার লবণের ক্ষেত্র, সুন্দর লবণের শেড, ও দীর্ঘ কিংবদন্তি বাসিন্দাদের আয়ের নতুন উত্স হয়ে উঠেছে।
২০১৬ সালে তাশিরাম ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে লবণক্ষেত্রে উত্পাদিত লবণ বিক্রয় শুরু করেন। তিনি হলেন গোটা থানার প্রথম মানুষ, যিনি ই-কর্মাসের মাধ্যমে লবণ বিক্রয় শুরু করেন। তাঁর অনলাইন দোকানের বার্ষিক আয় ১ লাখ ইউয়ান আরএমবি’রও বেশি।
এ সম্পর্কে তাশিরাম বলেন, আমাদের গ্রামের অনেক মানুষ নিজেদের পারিবারিক হোটেল খুলেছেন। গত বছর আমাদের গ্রামে আসা পর্যটকের সংখ্যা ছিল প্রায় ৪৬ হাজার পার্সনটাইমস। গ্রামবাসীদের পর্যটন খাতে আয় ২৬.৪ লাখ ইউয়ান ছাড়িয়ে গেছে।
তাশিরাম সাংবাদিককে বলেন, লবণ হলো সময়ের স্বাদ এবং দুনিয়ার স্বাদ।