বাংলাদেশ যুব প্রতিনিধিদলের চীন সফর ও প্রসঙ্গকথা
ইনস্টিটিউট অব কনটেম্পরারি চায়না অ্যান্ড দা ওয়ার্ল্ডের ডেপুটি ডিরেক্টর ফান তা ছি বলেন, এই প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে এসেছেন এবং চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বের উত্তরাধিকারের দায়িত্ব বহন করছেন। চীনে এই সফরের সময়, প্রতিনিধিদল চীনের সবুজ উন্নয়ন ও পরিবেশগত শাসনের ধারণার অভিজ্ঞতা লাভ করেছে; চীনের তৃণমূল সামাজিক শাসনের অভিজ্ঞতা লাভ করেছে; এবং সকল দিক থেকে চীনা বৈশিষ্ট্যময় আধুনিকীকরণের পথ ও শাসনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানতে পেরেছে। বর্তমানে, চীন ও বাংলাদেশ আধুনিকায়নের উন্নয়ন পর্যায়ে রয়েছে। দু’দেশকেই অন্যদের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হবে, নিজস্ব জাতীয় অবস্থার সমন্বয় সাধন করতে হবে, এবং বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। চায়না রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য, দুই দেশের উন্নয়ন অভিজ্ঞতার পারস্পরিক শিক্ষাকে জোরদার করা; দুই দেশের মধ্যে শাসনের অভিজ্ঞতা ও উন্নয়নের জ্ঞান ভাগাভাগির কাজ জোরদার করা; কেন্দ্রের একাডেমিক সুবিধা কাজে লাগিয়ে গবেষণাকাজ চালিয়ে যাওয়া। এর মাধ্যমে চীন ও বাংলাদেশের থিঙ্ক ট্যাঙ্ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা যায় এবং চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিষয়বস্তুকে আরও সমৃদ্ধ করা যায়। সংলাপ, আলোচনা, মাঠ পর্যায়ের গবেষণা এবং অন্যান্য পদ্ধতির মাধ্যমে, দুই দেশের মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সহযোগিতা বাড়ানোও সম্ভব। কেন্দ্রটি তার সম্পদের সুবিধার সম্পূর্ণ ইতিবাচক ব্যবহার করবে এবং চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে ভবিষ্যতের সহযোগিতার জন্য উন্মুক্ত মনোভাব নিয়ে কাজ করে যাবে। আশা করা যায় যে, চীন ও বাংলাদেশের তরুণরা পারস্পরিক বিনিময়কে শক্তিশালী করবে, একে অপরের কাছ থেকে শিখবে, এবং একটি অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গড়ে তোলার কাজে অবদান রাখবে।