থাং পো হু
আজকের অনুষ্ঠানে একজন বিশেষ গায়িকার সঙ্গে আপনাদেরকে পরিচয় করিয়ে দেবো, তার নাম থাং পো হু। বিদেশি হলেও তিনি ১০ বছর বয়স থেকে চীনে বাস করছেন, আর তার গাওয়া গান প্রধানত চীনা বৈশিষ্ট্যময় গান, বেইজিং অপেরাও তিনি গেয়েছেন। বন্ধুরা, আজকের অনুষ্ঠানে আমরা একসঙ্গে তার কিছু সুন্দর গান শুনবো। অনুষ্ঠানের শুরুতে শুনুন থাং পো হু’র একটি সুন্দর গান ‘ছিং সি’।গান ১
থাং পো হু ১৯৯০ সালে ডেনমার্কে জন্মগ্রহণ করেন, তার ইংরেজি নাম Annie Lowdermilk। তার বাবা মা বিশ্বজুড়ে স্বেচ্ছাসেবক শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন। তাই খুব ছোট থেকে থাং পো হু বাবা মায়ের সঙ্গে অনেক দেশে গিয়েছেন। ১০ বছর বয়সে তিনি বাবা মা’র সঙ্গে চীনে আসেন এবং এখানে বসবাস করেছেন। চীনে আসার পর তিনি আবিষ্কার করেন বাস্তব চীন বিদেশির মুখে শোনা চীনের চেয়ে একদম ভিন্ন। খুব দ্রুত তিনি চীন পছন্দ করেন এবং নিজেকে একটি চীনা নাম দেন। থাং পো হু চীনের বিখ্যাত প্রাচীন কবি, চিত্রশিল্পী ও ক্যালিগ্রাফার। চীনা সংস্কৃতি খুব পছন্দ করে এবং থাং পো হু’র মত প্রতিভাবান মানুষ হতে চাওয়ার কারণে তিনি এই নাম দেন। পরে তিনি থোং পো হু’র গল্প অনুসারে ‘পো হু শুও’ নামে একটি গান রচনা করেন। বন্ধুরা, এখন শুনুন থাং পো হু’র জনপ্রিয় গান ‘পো হু শুও’।গান ২
চীনের অনেক শহরে বাস করলেও বেইজিংয়ে সবচেয়ে বেশি সময় থেকেছেন থাং পো হু। বেইজিংয়ে থাকার সময়ে থাং পো হু চীনা গান গাওয়া শুরু করেন। ১৪ বছর বয়সে তিনি নিজে গিটার বাজানো শিখেন। পেশাদার সংগীত প্রশিক্ষণ না নিলেও থাং পো হু’র গান অনেক মানুষের পছন্দ ও প্রশংসা পায়। ১৯ বছর বয়সে থাং পো হু একটি চীনা সংগীত প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। পুরস্কার না পেলেও তিনি গান গেয়ে আনন্দ পান এবং গায়িকা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। চীনে ১২ বছর বসবাস করার পর থাং পো হু’র বাবা মা যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যেতে চান। তবে তিনি চীনে থাকতে চান। তাই তখন থেকে তিনি একাই চীনে বাস করেন, তার গায়িকার স্বপ্ন পূরণের জন্য চেষ্টা করেন।গান ৩