বাংলা

অর্থনৈতিক বিশ্বায়নে এপেক কীভাবে ইঞ্জিনের ভূমিকা পালন করবে: চীনের উত্তর

CMGPublished: 2024-11-18 16:06:54
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

‘একটি উন্মুক্ত ও সমন্বিত এশিয়া-প্যাসিফিক সহযোগিতার প্যাটার্ন তৈরি করা’, ‘সবুজ ও উদ্ভাবনী এশিয়া-প্যাসিফিক বৃদ্ধির গতিবেগ লালন করা’ এবং ‘একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহনশীল এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় উন্নয়ন ধারণা নিশ্চিত করা’ - এবারের এপেক শীর্ষ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট সি যে তিনটি পরামর্শ পেশ করেছিলেন একটি এশিয়া-প্যাসিফিক কমিউনিটি এবং এশিয়া-প্যাসিফিক উন্নয়নের নতুন যুগ তৈরি করার জন্য একটি শক্ত ভিত্তি প্রদান করে।

উন্মুক্ততা এবং অন্তর্ভুক্তি এশিয়া-প্যাসিফিকের বৈশিষ্ট্য। দশ বছর আগে, এপেক বেইজিং শীর্ষ সম্মেলনে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় মুক্ত বাণিজ্য এলাকার প্রক্রিয়া চালু করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। শীর্ষ সম্মেলন এশিয়া-প্যাসিফিক মুক্ত বাণিজ্য এলাকা নির্মাণের জন্য একটি নতুন দিকনির্দেশনা নথি গৃহীত হয়েছে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল হিসাবে বিবেচিত হয়। বিশ্লেষকরা বিশ্বাস করেন যে এটি বাণিজ্য উদারীকরণের জন্য এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রচেষ্টা এবং সংকল্পকে প্রতিফলিত করে এবং ২০৪০ পুত্রজায়া ভিশন বাস্তবায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সবাই বিকশিত হলেই আমরা সত্যিকার অর্থে উন্নয়ন করতে পারব। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য, যৌথভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ‘কেক’ বড় করা এবং ভাগাভাগি করা, যাতে আরও বেশি অর্থনৈতিক সত্ত্বা এবং আরও বেশি মানুষ উন্নয়নের ফল ভাগ করে নিতে পারে, এটিই ছিল অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক বিশ্বায়নের লক্ষ্য। চীন সবসময় জনগণকেন্দ্রিক উন্নয়য়নের ধারণাকে মেনে চলে। এবার চীন বলেছে যে এপেকের মধ্যে জনসাধারণের আয় বৃদ্ধি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের উদ্যোগ গোষ্ঠীর বিকাশের মতো উদ্যোগগুলোকে প্রচার করবে। এটি এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মানুষের মঙ্গল বৃদ্ধি করবে, সামাজিক ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারকে উন্নীত করবে এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনীতির অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহনশীল উন্নয়নকে এগিয়ে নেবে।

首页上一页123全文 3 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn