এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পথ ধরে ‘একীকরণ’ হল মূলধারা: সিএমজি’র সম্পাদকীয়
এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উন্নয়ন কেন বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে পারে? এটি শুধুমাত্র এই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ও স্থিতিশীলতার কারণেই নয়, এপেকের অবদান থেকেও অবিচ্ছেদ্য। প্রতিষ্ঠার বিগত ৩৫ বছরে এপেক সবসময় উন্মুক্ততা, অন্তর্ভুক্তি, অভিন্ন উন্নয়নের মূল আকাঙ্খা মেনে চলে , মতভেদ সংরক্ষণের সময় অভিন্ন ভিত্তি খোঁজে, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের উদারীকরণ ও সহজীকরণ, এবং অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে উন্নীত করেছে, ও উন্নতি অব্যাহত রেখেছে। পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, এপেক প্রতিষ্ঠার প্রথম ৩০ বছরে এই অঞ্চলে গড় শুল্ক স্তর ১৭ থেকে ৫ শতাংশে নেমে এসেছে, মাথাপিছু আয় চারগুণেরও বেশি , বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এর অবদান ৭০ শতাংশে পৌঁছেছে। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান অর্থনৈতিক গোষ্ঠীও এই উন্মুক্ত সহযোগিতামূলক পরিবেশ থেকে উপকৃত হয়েছে। এই কারণেই এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কিছু দেশ ‘সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ এবং ভাঙা’ এবং শিবির সংঘর্ষে জড়িত হতে উৎসাহিত করে, কিন্তু খুব কম লোকই একমত।
এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনীতি হিসাবে, চীন সক্রিয়ভাবে এপেক সহযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে ও করছে , এবং এই অঞ্চলে শক্তির উত্স এবং সহযোগিতার চালক হয়ে উঠেছে। বর্তমানে, চীন এপেকের ১৩টি অর্থনৈতিক গোষ্ঠীর বৃহত্তম ব্যবসায়িক অংশীদার, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে চীনের অবদান ৬৪.২ শতাংশ, সেই সঙ্গে, চীনের সাহায্যে এই অঞ্চলের ৩৭.৬ শতাংশের পণ্য বৃদ্ধি হয়, এবং ৪৪.৬ শতাংশের পরিষেবা বাণিজ্যের বৃদ্ধি হয়। এপেক শীর্ষনেতৃবৃন্দের অনানুষ্ঠানিক সম্মেলনে চীনের ধরাবাহিক প্রস্তাব ও পক্ষবাদ এতদঞ্চলের উন্নয়নের ধারার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, যা ব্যাপক স্বীকৃতি ও সমর্থন পেয়েছে।