চীনের উদ্ভাবনী ফলাফল জার্মানির নুরেমবার্গ আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন প্রদর্শনীতে উন্মোচন
নুরেমবার্গ আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন প্রদর্শনী ২৬ থেকে ২৮ অক্টোবর জার্মানির নুরেমবার্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ বারের প্রদর্শনী ৩০টি দেশ ও অঞ্চলের প্রদর্শক আকর্ষণ করেছে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের ৫০০টিরও বেশি উদ্ভাবনী ফলাফল প্রদর্শন করা হয়েছে। চীনের প্রদর্শনী দল ৯৬টি উদ্ভাবনী ফলাফল নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে এবং সারা বিশ্বের প্রদর্শক ও বিনিয়োগকারীদের বিশেষ নজর কেড়েছে।
এই প্রদর্শনীতে চীনা উদ্ভাবনগুলো প্রধানত ছিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বেইজিং বিশ্ববিদ্যালয়, চিলিন বিশ্ববিদ্যালয়, চাইনিজ একাডেমি অফ সায়েন্সেস, বেইজিং ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসার্জারি, সিয়াওমি গ্রুপ ইত্যাদি বিশ্ববিদ্যালয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান, চিকিত্সা প্রতিষ্ঠান ও উদ্ভাবনী কোম্পানি থেকে এসেছে। উদ্ভাবন প্রকল্পগুলো চিকিত্সা ও স্বাস্থ্য, নির্মাণ, জলসেচ, কম্পিউটার, সরঞ্জাম, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, গৃহস্থালী যন্ত্রপাতি প্রভৃতি বিষয় সংশ্লিষ্ট।
চীনের ছিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রদর্শনী এলাকায় একাধিক ছোট পাত্রের বিভিন্ন আকারের বস্তু দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ছিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড অ্যাট্রোনটিক্স ইনস্টিটিউটের পিএইচডি শিক্ষার্থী চাং সোং ইয়ান চিমটা ধরে এক টুকরো নরম প্রজাপতির আকারের হাইড্রোজেল কম্পোজিট উপাদান তুলেছেন এবং বিশেষ যন্ত্রপাতিতে রেখেছেন, কিছুক্ষণ পরে এটি নির্দিষ্ট আকারে স্থির হয়। সোং চাং ইয়ান পরিচয় করিয়ে বলেন, এই ‘প্রজাপতি’ একটি ফাইবার-রিইনফোর্সড, থ্রিডি-প্রিন্টযোগ্য হাইড্রোজেল কম্পোজিট উপাদান দিয়ে তৈরি। এতে অ্যারামিড ন্যানোফাইবার যোগ করা হয়, যা এর কঠোরতা ও স্থিতিস্থাপকতা মানুষের টিস্যুর কাছাকাছি নিয়ে আসে। এই ধরনের উপাদান থ্রিডি-প্রিন্ট করা যায় এবং আকৃতি মেমরির বৈশিষ্ট্য আছে, আর এর খচর তুলনামূলক কম, ভবিষ্যতে যা ভাস্কুলার স্টেন্ট হিসেবে কার্ডিওভাসকুলার রোগের চিকিত্সার জন্য ব্যবহার করতে পারে।