বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে চীনের বিনিয়োগ ভবিষ্যতের পথ দেখায়
চন্দ্র ও মঙ্গল মিশন বেশ উল্লেখযোগ্য। দেখা যাচ্ছে যে, চীনের বিনিয়োগ শুধু পৃথিবীতে সীমাবদ্ধ নয়। চীন আগামী বছরগুলিতে আরও চন্দ্র ও মঙ্গল মিশনের পরিকল্পনা তৈরি করেছে। এই মিশনগুলির লক্ষ্য হল নতুন দিগন্ত অন্বেষণ করা, মহাকাশীয় উপাদানগুলো বোঝা এবং সম্ভাব্য সম্পদ সনাক্ত করা যা মানবতার উপকার করতে পারে।
এসব পদক্ষেপ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপর ব্যাপক প্রভাব চীন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং বায়োটেকনোলজির মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতেও মনোনিবেশ করছে। এই ক্ষেত্রগুলি স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে যোগাযোগ পর্যন্ত বিভিন্ন সেক্টরে বিপ্লব ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দেয় এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবনে চীনকে বিশ্বব্যাপী নেতা হিসেবে স্থান করে দেয়।
প্রযুক্তিগত নবত্যাপ্রবর্তন দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিকাশের একমাত্র উপায়। বিশ্ব বুদ্ধিজীবী সম্পত্তি সংস্থার প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে, ২০১২ সালে চীনে পেটেন্ট আবেদনের সংখ্যা ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বেশি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল উল্লেখ করেছে যে, ২০ বছর আগে আমেরিকান গবেষকরা বিজ্ঞান ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে চীনাদের তুলনায় চারগুণ বেশি পেশাদার নিবন্ধ প্রকাশ করেছিলেন। তবে ২০১৮ সালের মধ্যে চীন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে লক্ষাধিক পেটেন্ট বেশি পেয়েছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে চীনের কৌশলগত বিনিয়োগ দেশটিকে এমন একটি ভবিষ্যতের দিকে চালিত করছে যেখানে তা কেবল বৈশ্বিক অগ্রগতির সাথে তাল মিলিয়ে চলছে না বরং প্রায়শই একটি আদর্শ মান নির্ধারণ করে দিচ্ছে। ক্রমাগত উদ্ভাবন ও অন্বেষণের মাধ্যমে, চীন বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত অঙ্গনের প্রধান খেলোয়াড় হিসাবে তার ভূমিকা দৃঢ় করছে।
চায়ানা ডেইলি অবলম্বনে,
মোহাম্মদ তৌহিদ, সিএমজি বাংলা, বেইজিং।