বাংলা

চীনের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করলে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে

CMGPublished: 2024-09-16 18:51:34
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

গত মে মাসে মার্কিন সরকার ঘোষণা করেছিল যে, চীনের ওপর ৩০১ নং ধারা অনুযায়ী ট্যারিফ বজায় রাখার ভিত্তিতে চীনা বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং অন্যান্য পণ্যের উপর শুল্ক আরও বাড়ানো হবে। এই ব্যবস্থাটি মূলত ১ অগাস্ট থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। কিন্তু ৩০ জুলাই এবং ৩০ অগাস্ট দুইবার তা স্থগিত করা হয়েছিল। কারণ, মার্কিন কর্মকর্তারা এক হাজারেরও বেশি জনমত গবেষণা করার দাবি করেছেন। যদিও বিপুল সংখ্যক মতামত অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ বা শুল্ক ছাড় প্রসারিত করার আবেদনের বিরোধিতা করেছিল, মার্কিন সরকার শেষ পর্যন্ত জনমত শুনতে অস্বীকার করেছিল। এ ধরনের একতরফাবাদ এবং সংরক্ষণবাদ "চীনের উন্নয়ন দমন ও প্রতিরোধের চেষ্টা না করা" এবং "চীনের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা না করার" জন্য মার্কিন প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করেছে, এবং দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের ঐকমত্যও লঙ্ঘন করেছে।

তুলনা করে বোঝা যায় যে, যুক্তরাষ্ট্রের জারি করা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে, এ বছরের মে মাসে ঘোষিত বেশিরভাগ বিষয়বস্তু গৃহীত হয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ, বৈদ্যুতিক যানবাহনের উপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়, সেমিকন্ডাক্টর এবং সৌর কোষের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয় এবং ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, লিথিয়াম ব্যাটারি এবং মূল খনিজের উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়।

বিশ্লেষকরা মনে করেন যে, মার্কিন শুল্ক লাঠির পিছনে রাজনৈতিক অর্থ খুবই সুস্পষ্ট। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, দুই দলের মধ্যে প্রচারণা ক্রমশ তীব্র হচ্ছে এবং চীনের প্রতি কঠোরতা দেখানো তথাকথিত "রাজনৈতিক শুদ্ধতা" হয়ে উঠেছে। লোকেরা দেখেছে যে একদিকে, ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী টিভি বিতর্কে রিপাবলিকান প্রার্থীর শুল্ক পরিকল্পনার সমালোচনা করেছেন এবং অন্যদিকে, বর্তমান গণতান্ত্রিক প্রশাসন তার মেয়াদের মাত্র কয়েক মাস বাকি থাকতে চীনের উপর শুল্ক বাড়িয়েছে।

12全文 2 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn