বাংলা

চীনের বসন্ত উৎসব যে কারণে জাতিসংঘে ছুটির মর্যাদা পেয়েছে

CMGPublished: 2023-12-25 16:08:33
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

ডিসেম্বর ২৫: চীনের ঐতিহ্যবাহী বসন্ত উৎসবকে (চীনের চান্দ্রপঞ্জিকার নববর্ষ) সম্প্রতি জাতিসংঘ ছুটি হিসেবে নির্ধারণ করেছে। সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম সম্মেলন এ ঘোষণা আসে। সিদ্ধান্তটি বিশ্ব সংস্থাটির সদস্য দেশ এবং সচিবালয়ের কর্মীদের ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে।

বর্তমানে অনেক দেশ এবং অঞ্চল বসন্ত উৎসবকে সরকারি ছুটি হিসেবে নির্ধারণ করেছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ নানা পদ্ধতিতে বসন্ত উৎসব উদযাপন করে। প্রশ্ন আসতে পারে, বসন্ত উৎসব কী কারণে জাতিসংঘে সরকারি ছুটি হিসেবে মর্যাদা পেলো?

নিইউয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ছুটির দুটি ধরণ রয়েছে: সরকারি ছুটি এবং ‘ভাসমান ছুটি’। সরকারি ছুটিতে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে কার্যক্রম বন্ধ থাকে। নিরাপত্তাকর্মী ছাড়া অন্যদের অফিসে আসতে হয় না। ‘ভাসমান ছুটি’ বিশেষ সম্প্রদায় বা গোষ্ঠীর জন্য নির্ধারিত অতিরিক্ত ছুটি। কর্মীরা নিজের ধর্মবিশ্বাস বা সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী বিশেষ ‘ভাসমান ছুটি’ নিতে পারেন। এমন দিনে জাতিসংঘ সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম আয়োজন করে না। তবে নিরাপত্তা পরিষদসহ বিশেষ বিভাগের যদি কাজের প্রয়োজন থাকে, তাহলে এ দিন জাতিসংঘ চাইলে সম্মেলন আয়োজন করতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে ২০২৩ সালের কথা বলা যায়: এ বছরে জাতিসংঘে ৯টি সরকারি ছুটি আছে। যেমন নববর্ষ, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ফেডারেশন ছুটি, গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ছুটি, যেমন বড় দিন, ঈদ ইত্যাদি। চলতি বছরের ভাসমান ছুটি মোট আটটি। এটি প্রধানত ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক ছুটি।

চীনের বসন্ত উৎসবকে ‘ভাসমান ছুটি’ হিসেবে মর্যাদা দেওয়ায় জাতিসংঘ এদিন সম্মেলন আয়োজন করবে না। পরবর্তীতে সময়সূচি নির্ধারণের সময়ও এ দিনটিকে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হবে।

জাতিসংঘ প্রস্তাবে উল্লেখ রয়েছে, অনেক সদস্য দেশ বসন্ত উৎসব উদযাপন করে, এই উৎসবের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে, জাতিসংঘ মহাসচিবও প্রতি বছর বসন্ত উৎসব উপলক্ষ্যে ভাষণ দেন।

12全文 2 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn