বাংলা

লি ছিয়াংয়ের সফর ও চীন-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্ক

CMGPublished: 2024-06-19 14:50:28
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

এবার চীন-অস্ট্রেলিয়া অবাধ বাণিজ্য চুক্তির বাস্তবায়নকে আরও এগিয়ে নিতে, দু’দেশ একটি সমঝোতাস্মারক স্বাক্ষর করেছে। চীন-অস্ট্রেলিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চীন ও প্রধান পশ্চিমা উন্নত দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রথম উচ্চ-স্তরের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। এটি ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে কার্যকর হয়। এটি ব্যাপকভাবে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিনিময়ের থ্রেশহোল্ডকে কমিয়েছে এবং দু’দেশের আর্থ-বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য একটি আরও উন্মুক্ত, সুবিধাজনক ও আদর্শ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।

এ ছাড়া, চীন ইতিবাচকভাবে অস্ট্রেলিয়ার সাথে নতুন জ্বালানিচালিত গাড়ি ও নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহারে বিদ্যুতের উত্পাদন খাতে সহযোগিতা উন্নত করতে ইচ্ছুক। অস্ট্রেলিয়া-চীন শিল্প ও বাণিজ্য শিল্প কমিটি জানায়, চীনকে বাদ দিলে অস্ট্রেলিয়ানদের ভোগ্যপণ্যের জন্য ৪.২ শতাংশ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে। এতে প্রতিফলিত হচ্ছে যে, দু’দেশের সম্পর্কের অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হল পারস্পরিক সুবিধা। চীন ও অস্ট্রেলিয়ার উন্নয়ন একে অপরের প্রতি চ্যালেঞ্জ নয়, বরং সুযোগ।

চীন ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে ‘নরম’ বিনিময়ও রয়েছে। চীনা প্রধানমন্ত্রী এবারের সফরকালে অ্যাডিলেড চিড়িয়াখানায় চীন-অস্ট্রেলিয়া জায়ান্ট পান্ডা সংরক্ষণ সহযোগিতা গবেষণাকাজ সম্পর্ক খোঁজখবর নেন। এ ছাড়া, চীন অস্ট্রেলিয়াকে একতরফাভাবে ভিসামুক্ত সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি, উভয় পক্ষ একে অপরের নাগরিকদের তিন থেকে পাঁচ বছরের মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসা দিতে সম্মত হয়েছে।

চীন ও অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য সঠিক পথে যাত্রা করেছে। এটি দু’দেশের জনগণের অভিন্ন কল্যাণের সাথে সংগতিপূর্ণ এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা সুরক্ষায় জরুরি।

首页上一页12 2

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn