বাংলা

এক-চীন নীতির প্রতি মার্কিন চ্যালেঞ্জ দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করতে হবে: সিএমজি সম্পাদকীয়

CMGPublished: 2022-08-05 14:44:19
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

বর্তমান মার্কিন প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর অনেক বার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, তারা এক-চীন নীতি মেনে চলবে এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সমর্থন দেবে না। তবে, তারা যা মুখে বলছে, করছে তার বিপরীত। তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি বাড়ানো, তাইওয়ান নিয়ে নানা বিল পাস, এবং যুক্তরাষ্ট্রের তিন নম্বর ক্ষমতাধর ব্যক্তি পেলোসির তাইওয়ান সফরসহ নানা অপতত্পরতার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বার বার এক-চীন নীতিকে ঝাপসা এবং ফাঁপা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। চলতি বছরের দাভোস বিশ্ব অর্থনীতি ফোরামে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার বলেছিলেন, এক-চীন নীতিতে অবিচল থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের উচিত্ নয় প্রতারণার মাধ্যমে বা ক্রমবর্ধমানভাবে দুটি চীন প্রকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। পেলোসির মতো মানুষের এমন যৌক্তিক কথা শোনা উচিত্।

তাইওয়ানের পক্ষে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র এটিও পুরোপুরি মিথ্যা। মার্কিন রাজনীতিবিদরা শুধু নিজেদের স্বার্থ বিবেচনা করেন। তারা তাইওয়ানের জনগণের কল্যাণের কথা কখনোই বিবেচনা করেন না। তাই এবার পেলোসির সফরের বিরোধিতা করেছে খোদ তাইওয়ানের জনগণ। তাইওয়ানের নেটিজেনরা বলেছেন যে, তাইওয়ান আবারও মার্কিন রাজনীতিবিদদের নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ অর্জনের যন্ত্রে পরিণত হয়েছে।

তাই যে কোন অজুহাতে পেলোসির তাইওয়ান সফর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতির লঙ্ঘন। এটি তাইওয়ান প্রণালীর শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করেছে। যুক্তরাষ্ট্র পেলোসিকে সফরে যেতে দিয়েছে এবং তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ভুল সংকেত পাঠিয়েছে। তাই চীনকে পাল্টা ব্যবস্থা নিতে হবে। আর তাতে যে কোন পরিণতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদীদেরকে দায় নিতে হবে। ইতিহাস স্বাক্ষী যে, প্রতিবারই যুক্তরাষ্ট্র চীনকে উস্কে দেয় এবং অবশেষে মার্কিনীরাই নিজেদের কুফল ভোগ করে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।

首页上一页12 2

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn