চীন-থাইল্যান্ড দ্রুত গতির ট্রেন নির্মাণে চীনারাই অগ্রদূত
এরই মধ্যে সুড়ঙ্গ তৈরির প্রক্রিয়া অর্ধেক শেষ হয়েছে। চুক্তি প্রক্রিয়ারও আশানুরূপ উন্নতি হয়েছে। বসন্ত উৎসব চলাকালে প্রকল্প দলকে এটি নিশ্চিত করতে হয়েছে যে, নদীপথের পাশে ১০টি ক্যাপ ঢালা হয়েছে নির্দিষ্ট সময়সীমার আগেই।
টানা চতুর্থবারের মতো বিদেশে বসন্ত উৎসব পালন করতে হলো কাও লিয়াংকে। এর আগে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভেনিজুয়েলায় কাজ করেছিলেন।
কাও বললেন, ‘যখন উৎসব আসে, তখন বাড়ির কথা খুব মনে পড়ে। মনে হয়, পরিবারের কাছে আমি ঋণী।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রকল্পের নির্মাতা হিসেবে, সবাই এতে অভ্যস্ত। নির্মাণকাজে বিলম্ব যাতে না হয় সেজন্য প্রতি বসন্তেই এ প্রকল্পে কেউ না কেউ থাকেন।
বসন্ত উৎসব চলাকালে চীন-থাই দ্রুত গতির ট্রেন প্রকল্পে কাও লিয়াংসহ কাজ করছেন ৫৮ জন চীনা কর্মী। প্রকল্পের ব্যবসা সংক্রান্ত পরিচালক ওয়াং খান বলেন, যাতে কেউ একাকী বোধ না করে, তাই প্রকল্প বিভাগ কর্তৃপক্ষ কর্মীদের সংগঠিত করে একযোগে ডাম্পলিং তৈরির আয়োজনও করেছে।
সূর্যের আলোর প্রতিফলন ঘটিয়ে প্রকল্প প্রাঙ্গনে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে উৎসবের বাণী ও ‘ফু’। ওয়াং খান বলেন, ‘বসন্ত উৎসব পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের সময়। কিন্তু বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পে অংশ নিতে পারা এবং নিজেদের ঘাম দিয়ে লক্ষ্য অর্জনে যার যার অভিষ্ট লক্ষ্য ব্যক্ত করতে পারা এবং প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করার চেষ্টা চালানোও কিন্তু বসন্ত উৎসব উদযাপনের সেরা পদ্ধতি।’