বাংলা

বিদেশে “চীনা নির্মাণ” পারস্পরিক কল্যাণের স্পষ্ট উদাহরণ

CMGPublished: 2022-06-20 15:19:52
Share
Share this with Close
Messenger Pinterest LinkedIn

আফ্রিকার শীর্ষ ভবন থেকে নেপালের বৃহত্তম জলবিদ্যুত্ কেন্দ্র হয়ে বাংলাদেশের বৃহত্তম অবকাঠামো প্রকল্প পর্যন্ত চলতি বছর বেশ কিছু বিদেশী প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে বা পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন হওয়ার পথে রয়েছে।

বিদেশী প্রকল্প শুধু স্থানীয় অবকাঠামো পূর্ণাঙ্গ করতে সহায়তা দেয়, তা নয়, বরং প্রচুর কর্মসংস্থান দিয়ে পেশাদার প্রযুক্তিগত কর্মী লালন-পালন করে, স্থানীয় অর্থনৈতিক সমাজ উন্নয়নে সাহায্য করে। একই সময় অগ্রণী চীনা প্রযুক্তি, সরঞ্জাম ও নির্মাণ প্রশাসনসহ “বাইরে যাওয়া” ত্বরান্বিত করে। এ প্রক্রিয়ায় “চীনা নির্মাণ” সোনালী সাইনবোর্ড আরো উজ্জ্বল হয়ে যায়।

চালু হচ্ছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু

হুমায়ুন হচ্ছেন বাংলাদেশের পদ্মা সেতুর উত্তর তীরের মাওয়ার একটি ভাজা মুরগির দোকানের মালিক। কিছু দিন আগে তিনি একটি সুখবর শুনেছেন: আট বছরের নির্মাণের পর পদ্মা সেতু চলতি মাসের শেষে চালু হবে।

স্থানীয় অধিবাসীদের জন্য পদ্মা সেতু একটি “স্বপ্নের সেতু”। দীর্ঘকাল ধরে পদ্মা নদী দেশটিকে দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব দু’টো অংশে বিভক্ত করেছে। নদীপথ অতিরিক্ত প্রশস্ত, দ্রুত প্রবাহ এবং ঘন ঘন বন্যা হবার কারণে নদীর নিম্ন অববাহিকায় সেতু নির্মাণ বাস্তবায়িত হয়নি। বহু বছর ধরে দু’তীরের অধিবাসীরা নদী পার হতে নৌকার উপর নির্ভর করেন।

২০১৪ সালে চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কো. লিমিটেড (এমবিইসি) পদ্মা সেতুর নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষর করে। দেশটির বৃহত্তম অবকাঠামো প্রকল্প হিসেবে সেতুর মোট দৈর্ঘ্য ৭.৭ কিলোমিটার। ডাবল ইস্পাত ট্রাস মরীচি কাঠামোর উপরে চার লেন হাইওয়ে এবং নিচে একক ট্র্যাক রেলপথ। সেতু নির্মাণ কাজ যথাক্রমে সম্পন্ন হবার সঙ্গে সঙ্গে নদীর দু’তীরের অধিবাসীদের ফেরির মাধ্যমে যাতায়াতকে বিদায় দেবেন।

123全文 3 下一页

Share this story on

Messenger Pinterest LinkedIn