আকাশ ছুঁতে চাই পর্ব ৭৪
কী থাকছে এবারের পর্বে
১. নারীর জীবনে যুদ্ধ তো রয়েছেই: পাপড়ি রহমান, বিশিষ্ট সাহিত্যিক
২. মা ও শিশুর কল্যাণে
৩. মানবতার কল্যাণে নিয়োজিত নার্স লিউ চিয়াই
৪. সাংবাদিকতায় সাহসের প্রতীক শিরীন আবু আকলেহ
৫. শিল্পের নতুন ধরন প্রবর্তন করলেন উ ইয়াং
চীন আন্তর্জাতিক বেতারের ঢাকা স্টেশন থেকে প্রচারিত আকাশ ছুঁতে অনুষ্ঠানে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি শান্তা মারিয়া। কেমন আছেন আপনারা? আশা করি ভালো আছেন।
নারীর লেখনিতে নারীর জীবন যখন প্রতিফলিত হয় তখন তা পায় ভিন্ন মাত্রা। নারীর লেখালেখির ভুবন নিয়ে আজ আমরা কথা বলবো এদেশের বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক পাপড়ি রহমানের সঙ্গে। আমাদের অনুষ্ঠানে তাকে স্বাগত জানাই।
নারীর জীবনে যুদ্ধ তো রয়েছেই: পাপড়ি রহমান, বিশিষ্ট সাহিত্যিক
সাক্ষাৎকার
বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক পাপড়ি রহমান। তিনি একাধারে লেখক, সম্পাদক, গবেষক এবং অনুবাদক। তার লেখালেখি শুরু করেন শৈশব থেকেই। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক পরিবেশ বিকশিত হয়। শিশুকিশোরদের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনও গড়ে ওঠে। সেসময় থেকেই তিনি পত্রিকার ছোটদের পাতায় লিখতে থাকেন। তার মা ও পরিবারের অন্যদের তিনি বই পড়তে দেখেছেন। সে সময় থেকেই তার লেখক হওয়ার ইচ্ছা হয়।
পাপড়ি রহমানের লেখায় নারীর এক স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর খুঁজে পাওয়া যায়। তিনি নারীর জীবন সংগ্রামকে বিভিন্নভাবে তুলে ধরেছেন। তার উপন্যাস ‘বয়ন’-এ তিনি জামদানি শিল্পে নিয়োজিত মানুষদের সংগ্রাম চিত্রায়িত করেছেন। ‘পালাটিয়া’ উপন্যাসেও রয়েছে নারীর জীবনযুদ্ধের কথা। তিনি মনে করেন ‘নারীর জীবনে যুদ্ধ তো রয়েছেই’। সকল পেশায়ই নারীর সংগ্রাম করতে হয়। একজন লেখক নারীকে লেখক হিসেবে এবং নারী হিসেবে দ্বিমুখী সংগ্রাম চালাতে হয়।
তিনি নিজের জীবনের কথাও বলেন। তাকে সাংসারিক ব্যস্ততার মধ্য থেকেও সময় বের করে নিতে হয়েছে লেখার জন্য। সন্তানরা স্কুলে গেলে এবং স্বামী অফিসে যাওয়ার পর তিনি লিখতে বসতেন।
চীনদেশ বিষয়ে পাপড়ি রহমানের রয়েছে বিশেষ আগ্রহ। তার ছোটচাচা ছিলেন রেডিও পিকিংয়ের শ্রোতা ও সদস্য। তাই শৈশবে চাচার কাছে তিনি দেখেছেন চীন দেশের বিভিন্ন পোস্টকার্ড, ছবি, ক্যালেন্ডার ইত্যাদি। যৌথ পরিবারে বেড়ে ওঠা পাপড়ি রহমান তার বাড়িতে চীন দেশের সংস্কৃতির বিভিন্ন নিদর্শন দেখেছেন। তার ভাই সামরিক বাহিনীর একজন সদস্য হিসেবে চীনদেশে একটি ট্রেনিং প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের জন্য বেশ কিছুদিন সেখানে ছিলেন। তার কাছ থেকেও তিনি চীনের অনেক গল্প শোনেন।
পাপড়ি রহমান নতুন লেখকদের প্রতি পরামর্শ দেন অনেক বেশি পড়ার। তিনি মনে করেন ভালো কিছু লিখতে হলে অবশ্যই অনেক পড়তে হবে।
মা ও শিশুর কল্যাণে
বাংলাদেশের মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, সুষ্ঠু শারীরিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, সামাজিক ও আবেগীয় বিকাশের জন্য শিশুদের জীবনের প্রথম আট বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে শিশুর শিক্ষা ও বিকাশের ভিত্তি রচিত হয়। চলতি সপ্তাহে জাতীয় ইসিডি সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বিস্তারিত থাকছে প্রতিবেদনে
বাংলাদেশের মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, ‘শিশুর সঠিক বিকাশ মেধাসম্পন্ন জাতি গঠনে ভূমিকা রাখে’।