আপনার কথা

মঙ্গোলীয় এক পরিবারের ঘোড়ার চড়ে ধনী হওয়ার গল্প

2017-08-18 16:13:39 এম মহসীন মিয়া

 'আমরা মঙ্গোলীয়রা ঘোড়া ছাড়া কখনই বেঁচে থাকতে পারবনা'। ঘোড়ার সাথে সম্পর্কের কথা জিজ্ঞেস করলে এভাবেই সব সময় জবাব দেন আলতানচি নামে এক ঘোড়া মালিক। অন্য মঙ্গোলীয়দের এই প্রশ্ন করলেও একই জবাব পাওয়া যাবে।

স্বায়ত্বশাসিত অন্তঃমঙ্গোলিয়ার জলিংজল তৃণভূমি অঞ্চলের সুপরিচিত ঘোড়া মালিক আলতানচি যখন ঘোড়ার গল্প করছিলেন, তখন আনন্দে চক চক করছিল তাঁর দু'চোখ ।

মঙ্গোলীয় এক পরিবারের ঘোড়ার চড়ে ধনী হওয়ার গল্প

আলতানচিও তাঁর পূর্ব পুরুষদের মত সংকর ঘটিয়ে ঘোড়ার উন্নত জাত তৈরির কৌশল আয়ত্ব করেছেন এবং এর মাধ্যমে আজ অব্দি সচ্ছলভাবে জীবন যাপন করছেন। চারশোর কাছাকাছি ঘোড়া থেকে আলতানচির বর্তমান বার্ষিক আয় ১০ লক্ষ ইউয়ানের বেশী। আর তাঁর এ আয়ের বেশীরভাগ আসে ঘোড় দৌড়, ঘোড়া পোষ মানানো এবং ঘোড়ার জাত উন্নত করার মাধ্যমে। 

বর্তমানে আলতানচি তাঁর খামারকে একটি পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করেছেন। শুধু তাই নয়, তাঁর পরিবার পর্যটকদের থাকার জন্য একটি দোতলা বাংলোও বানিয়েছেন। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে বাংলোর বাইরের দেওয়ালগুলো তাঁরা মঙ্গোলীয় কারুকার্যে সাজিয়েছেন।

আলতানচির পরিবারের জীবিকা নির্বাহের উপায় ছিল প্রথাগত পশুপালন। ঘোড়া ছিল কেবল তাদের মালামাল পরিবহনের একটি মাধ্যম। ঘোড়াকে অর্থ উপার্জনে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছিলেন আলতানচির বাবা বাতর। তাঁর বদ্বমূল ধারণা হল যে, ঘোড়াগুলো বেচে দিয়ে অন্য পশুর সংখ্যা বাড়ানো ধনী হওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হতে পারে। 

১৯৮৯ সালে বাতর একটি ঘোড়া ও উট বিক্রি করে পূরানো একটি মোটর বাইক কেনেন। পাঁচ বছর পর তিনি ছয়টি ঘোড়া বিক্রি করে আরেকটি নতুন মোটর বাইক কেনেন। নতুন বাহনের আয় থেকে বৃদ্ধ ঘোড়া মালিক পরিবারের জন্য প্রথম চার চাকার গাড়ি কেনেন। নয় সদস্যের এই পরিবারে এখন পাঁচটি চকচকে নতুন গাড়ি!

অনুসরণ করুন

চায়না ডট কমে ‘আপনার কথা’ প্ল্যাটফর্মে যোগদানের আমন্ত্রণ!

ইমেইল: ben@cri.com.cn

ফোন: 0086-010-68892420

  • উইচ্যাট উইচ্যাট
খবর :
সর্বশেষ খবর চীন বিশ্ব দক্ষিণ এশিয়া

চীনা ভাষা শিখুন সংস্কৃতি জীবন বাণিজ্য চীনের বিশ্বকোষ