চীনের দুই সন্তাননীতি, বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ; প্রেক্ষিত বাংলাদেশ_china.com

আপনার কথা

চীনের দুই সন্তাননীতি, বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ; প্রেক্ষিত বাংলাদেশ

2018-03-15 09:04:23 মোহাম্মদ তৌহিদ

চীনে দীর্ঘ ৩৭ বছর পর এক সন্তান নীতির অবসান হলো। বাহ্যদৃষ্টিতে এ নীতি গ্রহণ দেশ ও বিদেশে বিশেষ আগ্রহের জন্ম দিয়েছে। কিন্তু কেনো চীন সরকার এ নীতির পরিবর্তন ঘটাল, এতে সরকার কিভাবে লাভবান হবে? দেশের বাস্তব পরিস্থিতি আসলে কী? তাই সংক্ষিপ্তভাবে বিশ্লেষণের চেষ্টা করা হয়েছে এখানে।

এ কথা স্পষ্ট যে, ১৯৭৯ সালে দেশে এক সন্তাননীতি গ্রহণের পর বিশাল পরিমাণ গর্ভপাত বা ভ্রূণ হত্যা হয়েছে। এ সংখ্যা সত্যিই অনেক ভয়াবহ! ২০১৩ সালে চীনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যে তথ্য ঘোষণা করে, তাতে দেখা যায়, ৭০ দশক থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত চীনে ৩৩ কোটি ৬০ লাখ গর্ভপাত হয়েছে, যেটা যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যার চেয়েও বেশি।

এই এক সন্তান নীতির জনসংখ্যাগত ফলাফলও বিপর্যয়কর হয়েছে। সরকারি তথ্যানুযায়ী, চীনে বয়স্কদের হার ক্রমেই বাড়ছে। বর্তমানে জনসংখ্যা ১৩ শতাংশ হলো বয়স্ক মানুষ। ২০৪২ সালের মধ্যে এ সংখ্যা হবে মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ। একটি বৃহত্‌ জনসংখ্যার দেশ হিসেবে এটি চীনের জন্য একটি বড় সমস্যা বটে। এক সন্তাননীতির যুগের এসব মানুষ বুড়ো হলে অনুপাত আকাশছোঁয়া হয়ে যাবে, এই নীতি বাস্তবায়নের পর বছরে ১ কোটি মানুষ অবসরে যাবে। চীনে একসময় অনেক শ্রমিক থাকায় তাদের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়েছে, কিন্তু শ্রমিকের সংখ্যা কমে গেলে প্রবৃদ্ধির চাকাও শ্লথ হয়ে যাবে। এটাই বাস্তবতা।

আর তাই বর্তমান 'দুই সন্তান'নীতি সমাজের সমন্বিত উন্নয়নের জন্য সহায়ক।

চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কমিটির পরিচালক লি বিন গত সপ্তাহে জানান, বর্তমান 'দুই সন্তাননীতির আওতায় চীনে বর্তমানে তালিকাভুক্ত নয় কোটি দম্পতি আছে। এ নীতি প্রণয়নের পর চীনের জনসংখ্যা বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে চীনের জনসংখ্যা হয়েছে ১৩৭.৫ কোটি। পরবর্তীতে এ সংখ্যা হবে ১৪৫ কোটি। কিন্তু ২০৫০ সাল নাগাদ জনসংখ্যা ১৩৮ কোটিতে নেমে যাবে। 

অনুসরণ করুন

চায়না ডট কমে ‘আপনার কথা’ প্ল্যাটফর্মে যোগদানের আমন্ত্রণ!

ইমেইল: ben@cri.com.cn

ফোন: 0086-010-68892420

  • উইচ্যাট উইচ্যাট
খবর :
সর্বশেষ খবর চীন বিশ্ব দক্ষিণ এশিয়া

চীনা ভাষা শিখুন সংস্কৃতি জীবন বাণিজ্য চীনের বিশ্বকোষ