আপনার কথা

চীনের বয়স্কনীতি ও বাংলাদেশ প্রসঙ্গ

2016-04-13 14:31:49 মোহাম্মদ তৌহিদ

বার্ধক্য মানুষের জীবনের একটি অলঙ্ঘনীয় অংশ। ১৯৯১ সাল থেকে প্রতি বছর জাতিসংঘ বার্ধক্যকে মানবজীবনের প্রধানতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে এ সম্পর্কে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টির আহ্বান জানিয়ে আসছে। কারণ, বার্ধক্য মানুষের জীবনের খুবই স্পর্শকাতর একটি অধ্যায়।

এ বিষয়টি মাথায় রেখে বিশ্বের দেশে দেশে সরকারগুলো বিভিন্ন কর্মসূচি ও প্রকল্প হাতে নেয়। এক্ষেত্রে বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ চীনও ব্যতিক্রম নয়। সম্প্রতি চীনের বয়স্কনীতিতে বেশ কিছু পরিবর্তন হয়েছে। কারণ দিন দিন চীনেও বয়স্কদের সংখ্যা বাড়ছে। বয়স্কদের জন্য চীন সরকার ধারাবাহিক বেশ কিছু কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে।

বর্তমানে অনেক বয়স্ক ব্যক্তিই পরিবারের তরুণ সদস্যদের সঙ্গে বসবাস করেন। আবার

চীনের বয়স্কনীতি ও বাংলাদেশ প্রসঙ্গ

অনেকেই বিভিন্ন নার্সিং হোমে তাদের অবসর জীবন কাটাতে পছন্দ করেন।

চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী চীনে বর্তমানে ১৭৮ মিলিয়ন মানুষ আছে যাদের বয়স ৬০ বছরের বেশি। যা মোট জনসংখ্যার ১৩ শতাংশ। ২০৪২ সালের মধ্যে মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ হবে বয়স্ক মানুষ। একটি বৃহত্‌ জনসংখ্যার দেশ হিসেবে এটি চীনের জন্য একটি বড় সমস্যা বটে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে কোনো দেশে মোট জনসংখ্যার শতকরা ১০ থেকে ১২ ভাগ প্রবীণ হলে সে দেশকে বার্ধক্যপীড়িত জনসংখ্যার দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এ বিষয়ে চীন আসলে কতটুকো প্রস্তুত? উল্লেখ্য, চীনের মানুষের গড় আয়ু ৭৩ বছর।

তবে, বয়স্ক মানুষদের সংখ্যা বৃদ্ধি সমস্যা নয়, সমস্যা বা খেয়াল করার বিষয় হলো বয়স্কদের সেবায় সরকার কী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সেটি। এক্ষেত্রে সরকারের পদক্ষেপ ভুল হলে সামাজিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।

অনুসরণ করুন

চায়না ডট কমে ‘আপনার কথা’ প্ল্যাটফর্মে যোগদানের আমন্ত্রণ!

ইমেইল: ben@cri.com.cn

ফোন: 0086-010-68892420

  • উইচ্যাট উইচ্যাট
খবর :
সর্বশেষ খবর চীন বিশ্ব দক্ষিণ এশিয়া

চীনা ভাষা শিখুন সংস্কৃতি জীবন বাণিজ্য চীনের বিশ্বকোষ