বর্তমান স্থান: মূল পাতা > 孟加拉语旅游 > প্রধান লেখা

চলুন বেড়িয়ে আসি: সিঙ্গাপুর

2020-05-29 16:21:11
চলুন বেড়িয়ে আসি: সিঙ্গাপুর সুপ্রিয় শ্রোতা, আপনারা শুনছেন চীন আন্তর্জাতিক বেতারের বাংলা অনুষ্ঠান। এখন শুনবেন আপনাদের প্রিয় ‘চলুন বেড়িয়ে আসি’ অনুষ্ঠান। আপনাদের সঙ্গে আছি আমি....। অনুষ্ঠানের শুরুতেই সবাইকে জানাই ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা- ঈদ মোবারক। প্রিয় বন্ধুরা, আজকের চলুন বেড়িয়ে আসি অনুষ্ঠানে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাবো। তবে এর আগে কিছু খবরাখবর জানিয়ে দিচ্ছি।... #খবরাখবর ঈদের দিন চট্টগ্রামে ১৭৯ জনের করোনা শনাক্ত বাংলাদেশের চট্টগ্রামে ঈদের দিন সোমবার নতুন ১৭৯ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৬৭জন চট্টগ্রাম নগরের এবং ১২জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। চট্টগ্রাম জেলায় এ পর্যন্ত এক হাজার ৮৮৭জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন ৬০জন। সুস্থ হয়েছেন ১৭৯জন। করোনাভাইরাস মহামারিতে বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩ লাখ ৪৮ হাজারে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত এ সংখ্যা ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৯০৭ জন। তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৬ লাখ। আক্রান্ত ও মৃত্যুর পাশাপাশি এ পর্যন্ত সারা বিশ্বে কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হয়েছেন প্রায় ২৪ লাখ মানুষ; যা মোট রোগীর ৮৭ শতাংশ। বর্তমানে ২৮ লাখ ২২ হাজার ৭১০ জন করোনা আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাদের মধ্যে ৫৩ হাজার ১৬৭ জনের অবস্থা গুরুতর, যা মোট রোগীর ২ শতাংশ। ঢাকা শহরে ১৪ হাজার কোভিড-১৯ রোগী, সবচেয়ে বেশি মহাখালীতে বাংলাদেশে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা মহানগরীতে। এ পর্যন্ত শহরটিতে রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ৭৫জন। তবে ঢাকার বাকি উপজেলাগুলো মিলে জেলায় মোট রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৬৯২ জন। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের (আইইডিসিআর) ২৫ মে'র এসব তথ্য জানায়। ঢাকার ভেতর সবচেয়ে বেশি রোগী রয়েছে মহাখালীতে এলাকায়। সেখানে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩৩৭জন। এরপরে যাত্রাবাড়ীতে শনাক্ত হয়েছে ৩০৭জন আর কাকরাইলে শনাক্ত হয়েছে ২৯৮জন। করোনাভাইরাস: বিশ্বব্যাপী লকডাউনের মধ্যে যেভাবে পালিত হলো ঈদুল ফিতর করোনাভাইরাসের লকডাউন আর সামাজিক দূরত্ব রক্ষার মধ্যে বিশ্বের নানা দেশে পালিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর। ঐতিহ্যগতভাবে ঈদের জামাতে নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে এই উৎসবে শুরু হয়। কিন্তু বহু দেশে এবারের ঈদে দেখা গেছে ভিন্ন রূপ। ঈদের চাঁদ দেখার মধ্য দিয়ে রমজান মাসের বিদায় এবং ঈদের সূচনা হলেও একেক দেশে ঈদুল ফিতর একে দিনে পালিত হয়। যেমন সোমালিয়া কিংবা ইথিওপিয়ায় ঈদ পালিত হয়েছে শনিবার। অন্যদিকে, ইউরোপের দেশগুলিতে এবং ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডে ঈদ হয়েছে রোববার। বাংলাদেশসহ বেশ ক‌'টি দেশে এই ঈদ পালিত হয়েছে সোমবার। হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন পরীক্ষা বাতিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার করোনভাইরাসের সম্ভাব্য চিকিৎসা হিসেবে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল অস্থায়ীভাবে স্থগিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সম্প্রতি হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের কার্যকারিতা নিয়ে ‘ল্যানসেট’ সাময়িকীতে প্রকাশিত নেতিবাচক ফলাফলের পর গতকাল সোমবার ডব্লিউএইচও এর পরীক্ষা বন্ধ করে দেয়। তবে ডব্লিউএইচওর এ সিদ্ধান্ত উড়িয়ে দিয়েছে ব্রাজিল। করোনার চিকিৎসায় তারা এ ওষুধ ব্যবহার করেই যাবে বলেছে। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, গত সপ্তাহে ‘ল্যানসেট’ সাময়িকীতে প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়, হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন কোভিড-১৯ রোগীদের মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এর পরপরই এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভার্চ্যুয়াল প্রেস কনফারেন্সে জানান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস। তেদরোস বলেন, বিশ্বজুড়ে কয়েক শ হাসপাতালে কোভিড-১৯ রোগীদের ওপর সলিডারিটি ট্রায়াল নামে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের কার্যকারিতা নিয়ে পরীক্ষা শুরু করতে যাচ্ছিল এক্সিকিউটিভ গ্রুপ। সতর্কতার অংশ হিসেবে তা বাতিল করা হয়েছে। হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন মূলত আর্থাইটিসের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো ব্যক্তি ভাইরাসের চিকিৎসায় এর পক্ষে কথা বলেন এবং দ্রুত এটি কেনার নির্দেশ দেন। ট্রাম্প গত সপ্তাহে বলেছিলেন যে তিনি হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করছেন। তবে রোববার সিনক্লেয়ার ব্রডকাস্টিংয়ে প্রচারিত একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তিনি তাঁর কোর্স শেষ করেছেন। হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন খাওয়া নিয়ে সমালোচনার জবাবে বিদ্রূপ করে ট্রাম্প বলেন, ‘শেষ, সব শেষ হয়ে গেছে। আমি তো দিব্যি আছি। আমি এখনো এখানে। আমার বোধশক্তি বলেছ যে আমি দিব্যি বহাল তবিয়তে।’ ‘ল্যানসেট’–এ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, উভয় ওষুধই সম্ভাব্য মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে, বিশেষত হার্ট অ্যারিথমিয়া। কয়েক শ হাসপাতালে ৯৬ হাজার রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দুটি ওষুধ হাসপাতালে ভর্তি কোনো কোভিড-১৯ রোগীর কাজে আসেনি। তেদরোস বলেন, দুটি ওষুধই অটোইমিউন রোগ বা ম্যালেরিয়া রোগীদের জন্য সাধারণত নিরাপদ ছিল। এদিকে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল এখন মহামারির কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বিশ্বে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ করোনা সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে সেখানে। যুক্তরাষ্ট্রের পর সেখানে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ শনাক্ত হয়েছে। সেখানে মারা গেছে ২৩ হাজারের বেশি মানুষ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরীক্ষা কম হওয়ায় প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা এক লাখ ছাড়ালো করোনা মহামারিতে সব থেকে বিপর্যস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্রে মঙ্গলবার মৃতের সংখ্যা এক লাখ ছাড়ালো। এখন পর্যন্ত দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মোট এক লাখ দুই জন মারা গেছেন। বৈশ্বিক এই মহামারিতে বিশ্বের সব থেকে উন্নত রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্তের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে। এ বছরের গত ২১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে প্রথম করোনা আক্রান্ত এক ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় মোট আক্রান্ত হন ১৭ লাখ ১২ হাজার ৪৮৩ জন। এতো বিপুল সংখ্যক অসুস্থদের মাঝে করোনাকে পরাজিত করে ফিরে আসা মানুষের সংখ্যা মাত্র চার লাখ ৬৭ হাজার ৯৬২ জন। কোভিড-১৯'এ গুরতর অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর প্রহর গুণছে আরো ১৭ হাজার ১৪৭ জন। দেশটিতে সব থেকে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে অঙ্গরাজ্য নিউইয়র্ক সিটিতে। শুধু নিউইয়র্কেই আক্রান্ত তিন লাখ ৭২ হাজার ৪৯৪ এবং মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৩১০। এছাড়াও নিউজার্সি, ইলিনয়স, ক্যালিফোর্নিয়া, ম্যানচেস্টার, প্যানেনসিলভানিয়া, টেক্সাস, মিশিগান ও ফ্লোরিডা রয়েছে সর্বোচ্চ আক্রান্তের তালিকায়। ................................................................ #ভ্রমণ সিঙ্গাপুর সারা বিশ্বের ভ্রমণপিয়াসীদের কাছে কাঙ্ক্ষিত এক পর্যটন স্থান। সিঙ্গাপুর আধুনিক স্থাপত্য শৈলী আর অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া মহাদেশের একটি একটি ছোট্ট দ্বীপ রাষ্ট্র। দেশটি মালয় উপদ্বীপের নিকটে অবস্থিত। সিঙ্গাপুরের পোর্ট বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম বাণিজ্যিক পোর্ট। দক্ষিণ এশিয়ার বিলাসবহুল দেশ এটি। সিঙ্গাপুরের দর্শনীয় স্থান সিঙ্গাপুর ফ্লাইয়ার সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের মধ্যে মেরিনা বে-তে অবস্থিত সিঙ্গাপুর ফ্লাইয়ার কে সিম্বল সিঙ্গাপুর হিসাবে ধরা যায়। ২০০৮ সালে চালু হওয়া সিঙ্গাপুর ফ্লাইয়ার হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু একটি ফ্যারিস হুইল বা নাগরদোলা। এই নাগরদোলা থেকে সম্পূর্ণ সিঙ্গাপুর শহরের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। ২৪০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত বিশালাকৃতির ফ্যারিস হুইলটির উচ্চতা ১৬৫ মিটার। সিঙ্গাপুর ফ্লাইয়ারে সর্বমোট ২৮ টি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ক্যাপসুল রয়েছে এবং প্রতিটি ক্যাপসুলে একত্রে ২৮ জন রাইডে চড়তে পারে। সিঙ্গাপুর ফ্লাইয়ারের মেঝে তিনটি ফ্লোর বা স্তরে বিভক্ত, যার বিভিন্ন অংশ হতে রেস্টুরেন্ট, দোকান এবং অন্যান্য পরিষেবা প্রদান করা হয়। সিঙ্গাপুর ফ্লাইয়ার থেকে দিন বা রাতের ৩৬০ ডিগ্রি দৃশ্য দেখার অপূর্ব সুযোগের পাশাপাশি রাইড চলাকালীন সময়ে চাইলে ৩২৯ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে এখানে বসে ডিনার করার অসাধারণ অভিজ্ঞতাও অর্জন করতে পারবেন। সিঙ্গাপুর ফ্লাইয়ার সকাল ৮ টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ১০ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকে। ৩০ মিনিট স্থায়ী প্রতিটি রাইডের টিকেটের মূল্য শিশুদের জন্য ২১ মার্কিন ডলার, প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ৩৩ মার্কিন ডলার এবং ফ্যামেলি প্যাকেজের মূল্য ৭৮ মার্কিন ডলার। আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে সিঙ্গাপুর ফ্লাইয়ারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটি দেখতে পারেন: singaporeflyer.com মেরিনা বে স্যান্ডস মেরিনা বে স্যান্ডস বা সংক্ষেপে এমবিএস হচ্ছে সিঙ্গাপুরের একটি অত্যাধুনিক রিসোর্ট কমপ্লেক্স। ২০১০ সালে নির্মিত ৫৭ তলা বিশিষ্ট মেরিনা বে স্যান্ডস বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল স্থাপনাগুলোর মধ্যে অন্যতম। মেরিনা বে স্যান্ডসে রয়েছে আবাসিক হোটেল, বিশ্বের সেরা সব ব্র্যান্ডের শোরুম, কৃত্রিম আইস স্কেটিং কোর্ট, রেস্টুরেন্ট, কনভেনশন সেন্টার, থিয়েটার, জিমনেসিয়াম, শপিংমল, ক্যাসিনো, আর্টসায়েন্স মিউজিয়াম এবং মেরিনা বে স্যান্ডস স্কাইপার্ক। স্কাইপার্ক থেকে এক নজরে সমগ্র সিঙ্গাপুর দেখা যায়। ২০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত জাহাজাকৃতির স্কাইপার্কে আছে পর্যবেক্ষন ডেক এবং ইনফিনিটি পুল। যেকোন দর্শনার্থী স্কাইপার্কের পর্যবেক্ষন ডেকে গিয়ে সিঙ্গাপুর শহর দেখতে পারলেও কেবলমাত্র এখানে আগত হোটেলের অতিথিরা ইনফিনিটি পুল ব্যবহার করতে পারেন। প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারে নির্মিত মেরিনা বে স্যান্ডস যেন শহরের ভেতর আরও একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ শহর। মেরিনা বে স্যান্ডস থেকে রাতের সিঙ্গাপুর (Singapore) দেখতে খুবই অসাধারণ লাগে। প্রতি বছর শুধুমাত্র ইনফিনিটি পুলে সাতার কাটার জন্য অসংখ্য পর্যটক মেরিনা বে স্যান্ডসে আসেন। এখানে এক রাতের জন্য সর্বনিম্ন রুম ভাড়া ৪৫০ ডলারেরও বেশি। আবার বুকিংয়ের তারিখ অনুযায়ী রুমের ভাড়া পরিবর্তিত হয়। সেন্তোসা সিঙ্গাপুরের দক্ষিণে অবস্থিত অসাধারণ জায়গা সেন্তোসা। সময় কখন যে ফুরিয়ে গেছে তা মালুমও করতে পারবেন না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সেখানে কাটিয়ে দেওয়া যায়। সেখানে রয়েছে অনেক গ্যালারি, আকর্ষণীয় দেখার জিনিসপত্র, অ্যামিউজ়মেন্ট পার্ক সহ অন্যান্য নানা আকর্ষণ। তাছাড়াও সেখানে রয়েছে অসাধারণ সব রিসোর্ট, ওয়াটার পার্ক, ইউনিভার্সাল স্টুডিও, ক্লাব হাউস। এমনকী, সেখানে গেলে মজা নিতে পারবেন ইন্ডোর স্কাই ড্রাইভিংয়েরও। জুরং বার্ড পার্ক বিশাল এলাকা জুড়ে রয়েছে পার্কটি। তা শুধু সিঙ্গাপুরেই নয়, এশিয়ার মধ্যেই সবচেয়ে বড় পার্ক। পার্কতে মোট ৪৯টি ভাগ রয়েছে। যেখানে পাঁচ হাজারেরও বেশি পাখির প্রজাতির বসবাস। সবমিলিয়ে বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র। সেখানকার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ আভাইরি জলপ্রপাত। আশপাশের পরিবেশ এতো সুন্দর, যে আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন। বোটানিক গার্ডেন ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের আওতায় রয়েছে বোটানিক গার্ডেন। অসাধারণ সুন্দর সাজানো গোছানো গার্ডেনটি। ১৮২২ সালে স্যার স্ট্যাম্ফোর্ড রেফলস্ গার্ডেনটি তৈরি করেন। তবে পরবর্তীকালে তার অবশ্য ভোল বদলে যায়। দেশ বিদেশের মানুষের ভিড় লেগেই রয়েছে সেখানে। সিঙ্গাপুরের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। এই বোটানিক গার্ডেনের মধ্যেই আছে ‘ন্যাশনাল অর্কিড গার্ডেন অফ সিঙ্গাপুর’। ১৯৯৫ সালে সিঙ্গাপুরের জাতির পিতা প্রেসিডেন্ট লি কুয়ান উদ্বোধন করেন ন্যাশনাল অর্কিড গার্ডেন। তিন হেক্টর জমি নিয়ে এটি অবস্থিত। এতে প্রায় ১০০০ প্রজাতির অর্কিড আছে এবং আছে অসংখ্য হাইব্রিড। এই বাগানের সবচেয়ে নজরকাড়া দিক হল এর বিভিন্ন গাছ এবং অর্কিড এর কালার কম্বিনেশন। অধিকাংশ ভিজিটরই এখানে পায়ে হেঁটে ঘুরে ঘুরে ডিসকভার করতেই পছন্দ করে। তবে দেশ বিদেশের প্রিমিয়াম ট্রাভেলারদের জন্য আছে প্রিমিয়াম বাস যা অর্কিড গার্ডেন এ যাত্রীদের নামিয়ে দেয় এবং এখান থেকে নিয়ে যায়। আছে বেশ কিছু রেস্টুরেন্ট এবং কফি শপ যা এখানকার প্রকৃতি এবং সবুজ পরিবেশের সাথে সুন্দর করে ম্যাচ করে সাজানো হয়েছে যাতে একটুও বেখাপ্পা না লাগে। এমনকি এই বাগানের পাবলিক টয়লেটটিও গাছপালা এবং ফুল গাছ দিয়ে ঢেকে দেওয়া, দেখে মনে হবে যেন টয়লেটটাই আস্তো এক বাগান। পোস্ট ওয়েডিং, প্রি ওয়েডিং ফটোগ্রাফীর জন্য সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এটা। এখানে বেশ কিছু লের্নিং এবং ইনফরমেশন সেন্টার আছে যা আপনাকে পরিবেশ, প্রকৃতি, অর্কিড, গাছপালা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নিয়ে জ্ঞান আহরণ করতে সহায়তা দিবে। আর এই সবকিছুই একদমই ফ্রী। চায়না টাউন এখানে দেখতে আর শপিং এর জন্য যাওয়া যেতে পারে। চায়না টাউন এম আর টি স্টেশন থেকে বের হলেই চায়না টাউন। এটুকু নিশ্চয়তা দেয়া যায় যে কিছু না কিছু কেনার মতো অবশ্যই পাবেন। এখানে রাস্তায় অনেক স্ট্রিট ফুড আছে, যেমন – স্পেশালি বড় চিংড়ি, বিফ কাবাব, সি ফুড, সুপ, মালায়া সাতে, নুডলস, টম ইয়াম সুপ ইত্যাদি আছে। Maxwell Food Centre চায়না টাউন থেকে হেঁটে কিছুটা সামনে গেলে ম্যাক্সওয়েল ফুড সেন্টার। এখানে খাঁটি সিঙ্গাপুরের খাবারের স্বাদ পাওয়া যাবে। এখানে দুই সারিতে স্ট্রিট ফুডের দোকান মাঝে খাবার জায়গা। অনেক টুরিস্ট আসে খেতে, লাইন ধরতে হয় খাবারের জন্য। বিভিন্ন জুস সহ চায়না টাউন এর মতই খাবার। আমরা ছবি দেখে কিছু খাবার অর্ডার দিলাম। স্বাদ মোটামুটি।
খবর :
সর্বশেষ খবর চীন বিশ্ব দক্ষিণ এশিয়া

চীনা ভাষা শিখুন সংস্কৃতি জীবন বাণিজ্য চীনের বিশ্বকোষ