বর্তমান স্থান: মূল পাতা > 孟加拉语旅游 > প্রধান লেখা

তিব্বতের পথে পথে (৫)

2019-07-10 16:55:21

পিরামিড হোটেল স্বল্প দৈর্ঘ্যের রাতটি কেটে গেল বেশ দ্রুত। কাঁচের জানালার ওপারে নিইংছ্রি নদী তখনও বয়ে যাচ্ছে। পরদিন বিভিন্ন ব্যস্ততার কথা চিন্তা করেই হয়তো দ্রুত রাত কেটে যায়। তিব্বতে সকাল হলো বেশ দেরিতে। ৮টার মধ্যে নাস্তা সেরে নির্ধারিত গাড়িতে চেপে বসল সবাই।

এদিনের কর্মসূচির শুরুতে নিইংছ্রি/লিনচ্রি শহরের পা-ই জেলার লুলাং টাউনের ট্রাশিকাং গ্রাম পরিদর্শন। সেখান থেকে লুলাং আন্তর্জাতিক ট্যুরিজম টাউন পরিদর্শন অতঃপর সেই টাউনের হোটেলে দুপুরের খাবার গ্রহণ। এরপর নবগঠিত অপেক্ষাকৃত ধনী গ্রাম পাচি ভ্রমণ ও হোটেলে প্রত্যাবর্তন। পর্যটকদের সুবিধার্থে বেশিরভাগ স্থানেই তিব্বতি ভাষার পাশাপাশি চীনা ও ইংরেজিত লেখা রয়েছে নামগুলো।


যাই হোক, কর্মসূচি বেশ সংক্ষিপ্তই মনে হলো। ফুরফুরে আনন্দ নিয়ে দিনটি শুরু হয়। রাতের খাবার পর পর্যাপ্ত সময় থাকবে এবং সেসময়ে সবুজ নদীতে ভ্রমণ করা যাবে- এমন পরিকল্পনা মাথায় নিয়েই মূলত দিনের প্রথম যাত্রা শুরু হলো। তবে সে যাত্রা বেশ দীর্ঘ যাত্রা। ১২/১৫জন সদস্য বহনকারী বাসগুলোতে অক্সিজেন সিলিন্ডার আছে- সে কথা জানান দিল গাইড। কেন অক্সিজেন সিলিন্ডার? জানা গেল ট্রাশিকাহ্ গ্রামে যাবার জন্য আমাদের ৪৫০০ মিটার উঁচু পার্বত্য পথ পার হতে হবে। সেই পথে অক্সিজেনের ঘাটতি হবে। তাই, অসুস্থতা অনুভব করা মাত্রই গাড়ির চিকিত্সক ব্যবস্থা নেবেন। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক শহুরে পথ পার হয়ে নিইংছ্রি নদীর পাশ দিয়ে অদ্ভুত পার্বত্য পথ ধরি আমরা। পথ যেন ফুরোতে চায় না। ক্রমান্বয়ে উপরের দিকে উঠছে সেই পথ। নদী পাশের হোটেল থেকে মেঘ আর আকাশের সঙ্গে নদীর যে স্বল্প উচ্চতা বোঝা যাচ্ছিল, এবার সেটিও ঘুচে গেল। কিছুক্ষণ পর খেয়াল হলো, আমরা ভিন্ন কোনো জগতে ঢুকে গেছি। ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই আমরা উঁচু 'মাউন্টেন পাসে' এসে পৌঁছেছি।

1234...>
খবর :
সর্বশেষ খবর চীন বিশ্ব দক্ষিণ এশিয়া

চীনা ভাষা শিখুন সংস্কৃতি জীবন বাণিজ্য চীনের বিশ্বকোষ