বর্তমান স্থান: মূল পাতা > 孟加拉语旅游 > প্রধান লেখা

চলুন বেড়িয়ে আসি: বেইজিংয়ের ফরবিডেন সিটি

2017-12-01 09:52:53

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের কথা উল্লেখ করলে অনেকের মনে পড়বে মহাপ্রাচীরের কথা। আবার অনেকে ভাববেন নিষিদ্ধ নগর বা ফরবিডেন সিটির কথা। 

চলুন বেড়িয়ে আসি: বেইজিংয়ের ফরবিডেন সিটি

চলুন বেড়িয়ে আসি: বেইজিংয়ের ফরবিডেন সিটি

হ্যাঁ, বেইজিংয়ের কেন্দ্রীয় অঞ্চল থিয়েনআনমেন মহাচত্ত্বরের ঠিক উত্তরে সুমহান প্রাচীন স্থাপত্যের সংগ্রহশালা আছে। বিশ্বখ্যাত নিষিদ্ধ নগর (ফরবিডন সিটি) বা রাজপ্রাসাদ জাদুঘর। বেইজিংয়ের রাজপ্রাসাদ জাদুঘর হলো চীনের প্রাচীন প্রাসাদ স্থাপত্যগুলোর মধ্যে অন্যতম। উপরন্তু এটি বর্তমানে পৃথিবীর সংরক্ষিত সবচেয়ে বড় আকার, সম্পূর্ণ একটি প্রাচীন কাঠের তৈরি স্থাপত্য। ১৯৮৭ সালে নিষিদ্ধ নগরকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়। শুধু তাই নয়, ইউনেস্কো একে সংরক্ষিত প্রাচীন কাঠের কাঠামোর বৃহত্তম সংগ্রহ হিসাবে তালিকাভুক্ত করে।

চলুন বেড়িয়ে আসি: বেইজিংয়ের ফরবিডেন সিটি


নিষিদ্ধ নগরী ছিল চীনের রাজপ্রাসাদ, যা মিং রাজবংশের আমলে তৈরি হয়। এটি চীনের বেইজিং শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত। বর্তমানে এটি প্রাসাদ জাদুঘর। ১৫ বছর ধরে দশ লাখেরও বেশি শ্রমিক প্রাসাদ নির্মাণের কাজ করেন। নিষিদ্ধ নগরের আকার এতো বিশাল, শৈলী এতো সুন্দর, স্থাপত্য এত সুমহান এবং আসবাবপত্র এত বিলাসী যা পৃথিবীতে খুব কম দেখা যায়। এর আয়তন ৭ লাখ ২০ হাজার বর্গ কিলোমিটারেরও বেশি। উত্তর-দক্ষিণে দৈর্ঘ্য প্রায় এক হাজার মিটার, পূর্ব-পশ্চিম দিকে প্রস্থ প্রায় আটশ' মিটার। চার দিকে দশ মিটারেরও বেশী উঁচু দেয়াল আছে। দেয়ালের বাইরে চারদিক ঘিরে ৫০ মিটার চওড়া আয়তাকার জলাধার রয়েছে। প্রায় ৫০০ বছর ধরে, এটি সম্রাট এবং তাদের পরিবারের পাশাপাশি চীন সরকারের আনুষ্ঠানিক এবং রাজনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করেছে। সম্রাটের অনুমতি ছাড়া এ এলাকায় কেউ প্রবেশ করতে বা এলাকা ত্যাগ করতে পারতো না বলে এর নাম ফরবিডেন সিটি বা নিষিদ্ধ নগর হয়েছিলো। ইউয়ান রাজবংশের সময় এখানে প্রথম রাজকীয় নগর গড়ে ওঠে।

খবর :
সর্বশেষ খবর চীন বিশ্ব দক্ষিণ এশিয়া

চীনা ভাষা শিখুন সংস্কৃতি জীবন বাণিজ্য চীনের বিশ্বকোষ