বর্তমান স্থান: মূল পাতা > 孟加拉语旅游 > প্রধান লেখা

বেইজিং

2016-09-30 19:39:37

বেইজিংয়ের পরিবহনব্যবস্থা

রেলপথ

বেইজিং চীনের রাজধানী। স্বাভাবিকভাবেই চীনের উন্নত রেল-যোগাযোগব্যবস্থার কেন্দ্র এটি। বেইজিংয়ের সাথে চীনের বিভিন্ন স্থানের রেলপথে যোগাযোগ আছে। বেইজিং থেকে হংকংয়ের কাউলন সরাসরি ট্রেনে যাওয়া যায়। আছে বেইজিং-শাংহাই রেলপথ, বেইজিং-কুয়াংচৌ রেলপথ, বেইজিং-হার্বিন রেলপথ এবং বেইজিং-অন্তর্মঙ্গোলিয়া রেলপথ ইত্যাদি। বেইজিংয়ের সাথে রাশিয়ার বিভিন্ন শহর, মঙ্গোলিয়ার উলানবাটোর, উত্তর কোরিয়ার পিয়ং ইয়ং এবং ভিয়েতনামের হ্যানয় যাওয়া যায় ট্রেনযোগে।

বেইজিং-থিয়ানচিন আন্তঃনগরী রেলওয়ে'র নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০০৫ সালের ৪ জুলাই। ২০০৮ সালের পয়লা অগাস্টে রেলপথটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। এখন বেইজিং থেকে দ্রুতগতির ট্রেনে থিয়ানচিন যেতে মাত্র আধা ঘন্টা সময় লাগে। অন্যদিকে বেইজিং-শাংহাই দ্রুতগতির রেলপথ ২০১১ সালের ৩০ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। নয়াচীন প্রতিষ্ঠার পর এটিই সবচেয়ে লম্বা, সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগকৃত ও উচ্চ মানের রেলপথ হিসেবে স্বীকৃত। এখন এই রেলপথে বেইজিং থেকে সাংহাই যেতে সময় লাগে মাত্র ৫ ঘন্টা। অথচ দু'টো শহরের মধ্যে দূরত্ব হাজার কিলোমিটারের বেশি!

বেইজিং দক্ষিণ রেলস্টেশনের পুনর্নির্মাণকাজ ২০০৮ সালে সম্পন্ন হয়। এটি এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম রেলস্টেশন। এ ছাড়া আছে বেইজিং পশ্চিম রেলস্টেশন, বেইজিং উত্তর রেলস্টেশন এবং বেইজিং পূর্ব রেলস্টেশন।

বিমান চলাচল

বেইজিং রাজধানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হচ্ছে বিশ্বে বৃহত্তম বিমানবন্দরগুলোর অন্যতম। বেইজিংয়ের কেন্দ্র থেকে বিমানবন্দরের দূরত্ব ২০ কিলোমিটার। ২০১২ সালে যাত্রীবহন ও মালামাল বোঝাই ও খালাসের পরিমাণ বিবেচনায় এটি বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের আটলানটা বিমানবন্দরের চেয়েই কেবল পিছিয়ে ছিল। শহর থেকে এক্সপ্রেস সড়কপথে বিমানবন্দরে যাওয়া যায়। সময় লাগে ৪০ মিনিট। এ ছাড়া শহরের তোং জি মেন থেকে রাজধানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-২-এ সাবওয়ে বা পাতাল রেলে যাওয়া যায়। এ জন্য একটি বিশেষ সাবওয়ে লাইন সবসময় চালু থাকে। যাত্রার সময় ১৫ মিনিট।

খবর :
সর্বশেষ খবর চীন বিশ্ব দক্ষিণ এশিয়া

চীনা ভাষা শিখুন সংস্কৃতি জীবন বাণিজ্য চীনের বিশ্বকোষ