বর্তমান স্থান: মূল পাতা > খবর > সর্বশেষ খবর > প্রধান লেখা

চীনের জাতীয় দিবস-সংক্রান্ত চলচ্চিত্র ‘দ্যা বার্থ অব চায়না’

2018-09-27 14:22:10
1387671_2018092714220579234100.jpg

১৯৪৭ সালের জুলাই মাসের পর থেকে চীনের কুওমিনতাং পার্টির বাহিনীর প্রধান শক্তি প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়। ১৯৪৯ সালের এপ্রিল মাসে চীনা গণমুক্তি ফৌজ ইয়াংসি নদী অতিক্রম করে নানচিং শহর মুক্ত করে। এতে কুওমিনতাং পার্টি'র প্রশাসনের পতন প্রমাণিত হয়। ১৯৪৯ সালের পহেলা অক্টোবর চীনের বিভিন্ন এলাকায় চীনা গণমুক্তি ফৌজ ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়ায় বেইজিংয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠিত হয়।

‘দ্যা বার্থ অব চায়না' চলচ্চিত্রটি প্রধানত নয়া চীন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সেই সময়ে ঘটে যাওয়া ঐতিহাসিক ঘটনা অবলম্বনে নির্মাণ করা হয়।

১৯৪৯ সালের ২৪ মে কুওমিনতাং পার্টির নেতা চিয়াং চিয়ে শি তাইওয়ানে পালিয়ে যান। ২৬ মে শাংহাই মুক্ত করার কথা ঘোষণা করা হয়। তারপর চীনের অধিকাংশ শহর ও অঞ্চল মুক্ত হওয়ার তথ্যও পাওয়া যায়। নয়া চীন প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান খুব তাড়াতাড়ি অনুষ্ঠিত হয়। ৩০ সেপ্টেম্বর মাও চে তোংসহ কয়েকজন নেতৃবৃন্দ বেইজিংয়ে থিয়েন আন মেন স্কয়ারে পিপলস হিরোস স্মৃতিস্তম্ভে যুগান্তকারী অনুষ্ঠান আয়োজন করেন। পহেলা অক্টোবর থিয়েন আন মেন স্কয়ারে চীনের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সবখানে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে, জনগণের কণ্ঠে শোনা যায় উল্লাসের ধ্বনী। নয়া চীন প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী চীন তখন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

‘দ্যা বার্থ অব চায়না' চলচ্চিত্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তারা দায়িত্ববোধ এবং কঠোর বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে রচনায় আত্মনিয়োগ করেন। তারা চীনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) এবং চীনা গণমুক্তি ফৌজের ইতিহাস গবেষণার ফলাফল গ্রহণ করে প্রকৃত ইতিহাস এবং শিল্পের সম্প্রীতিমূলক সমন্বয় খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা চালান।

‘দ্যা বার্থ অব চায়না' চলচ্চিত্রে রাজনৈতিক, সামরিক, কূটনৈতিক ও সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন দিক থেকে কমরেড মাও চে তোংয়ের নেতৃত্বে সিপিসি'র গণপ্রজাতন্ত্রী চীন গড়ে তোলার ইতিহাস তুলে ধরা হয়। এতে প্রাণবন্তভাবে ব্যাপক ঐতিহাসিক বিখ্যাত লোকদের জীবন এবং গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা প্রদর্শিত হয়।

ঐতিহাসিক এই চলচ্চিত্রটি অনেক পুরস্কারও পেয়েছে। চলচ্চিত্রটি ১৯৯০ সালে দশম গোল্ডেন রোস্টার অ্যাওয়ার্ডের শ্রেষ্ঠ ফিচার ফিল্ম, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক, শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার, শ্রেষ্ঠ পার্শ্বঅভিনেতা এবং শ্রেষ্ঠা সম্পাদনাসহ অনেক পুরস্কার লাভ করে।

এ ছাড়া, চলচ্চিত্রটি ত্রয়োদশ হান্ড্রেড ফ্লাওয়ার্স অ্যাওয়ার্ডের শ্রেষ্ঠ ফিচার ফিল্ম, শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ও শ্রেষ্ঠ পার্শ্বঅভিনেতাসহ বিভিন্ন পুরস্কার লাভ করে। (লিলি/টুটুল)


খবর :
সর্বশেষ খবর চীন বিশ্ব দক্ষিণ এশিয়া

চীনা ভাষা শিখুন সংস্কৃতি জীবন বাণিজ্য চীনের বিশ্বকোষ