বর্তমান স্থান: মূল পাতা > খবর > সর্বশেষ খবর > প্রধান লেখা

চীনা কৃষক ও পশুপালকদের জীবনে সমৃদ্ধি বয়ে এনেছে মরুভূমির সবুজায়ন

2018-08-07 15:38:00

অগাস্ট ৭: খুবুছি মরুভূমি চীনের ইনার মঙ্গোলিয়া স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের এরদোস শহরের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত। এর মোট আয়তন ১৮.৬ হাজার বর্গকিলোমিটার। এটি চীনের সপ্তম বৃহত্তম মরুভূমি। তবে এখন স্যাটেলাইট ইমেজে নীচে তাকালে দেখা যায় এই মরুভূমি এখন সবুজে ভরপুর। সম্প্রতি সিআরআইয়ের সাংবাদিকরা দেখেছেন, সরকার, শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং জনগণের অব্যাহত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বর্তমানে খুবুছি মরুভূমি কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে। বালি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বয়ে আনা আর্থিক কার্যকরিতার ফলে কৃষক ও পশুপালকরা ধনী হওয়ার পথে পা রাখা শুরু করেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত শুনবেন আজকের সংবাদ পর্যালোচনায়।

বালিতে ভরপুর খুবুছি মরুভূমি একসময় ছিলো জীবনের জন্য খুব সীমাবদ্ধ একটি এলাকা। সেই সময় সেখানকার কৃষক ও পশুপালকদের বার্ষিক আয় ছিলো ৪০০ ইউয়ান রেনমিনপি'র কম। তখন মরুভূমিতে একমাত্র উঠের পিঠে করে যাতায়াত করতে হতো। এক শ' কিলোমিটার দূরের জায়গায় কাজ করতে যেতে উটের পিঠে কমপক্ষে ৬ দিন সময় লাগতো।

সম্প্রতি সিআরআইয়ের সাংবাদিকরা খুবুছি মরুভূমি যান, তারা দেখেন এ মরুভূমি এখন সবুজে ভরে উঠেছে।

২০০৬ সালে ৩৬টি পরিবারের কৃষক ও পশুপালকরা নতুন গ্রামে বাস করা শুরু করেন। বাড়ির সামনে ও পিছনের জায়গায় গাড়ি দেখা যায়। তারা এখন উটকে যানবাহন হিসেবে আর ব্যবহার করেন না। উঠকে এখন কৃষক ও পশুপালকদের প্রতিষ্ঠিত দর্শনীয় স্থানে বিচরণ করতে দেখা যায়।

সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ গভীরতর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চীনের জাতীয় শক্তি অব্যাহতভাবে জোরালো হয়ে ওঠে। এর ফলে খুবুছি মরুভূমির প্রাকৃতিক পরিবেশের পুনরুদ্ধার ও নির্মাণ ভালোর দিকে এগিয়ে যায়। কৃষক ও পশুপালকরা গাছ রোপণ ও ঘাস চাষ করা থেকে ধাপে ধাপে ব্যাপকভাবে প্রাকৃতিক পরিবেশ পুনরুদ্ধার এবং প্রজনন ও পর্যটন শিল্প উন্নয়ন করা পর্যন্ত বিভিন্ন শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।

খবর :
সর্বশেষ খবর চীন বিশ্ব দক্ষিণ এশিয়া

চীনা ভাষা শিখুন সংস্কৃতি জীবন বাণিজ্য চীনের বিশ্বকোষ