বর্তমান স্থান: মূল পাতা > জীবন > প্রধান লেখা

স্তন-ক্যান্সার নিয়ে যত কথা

2019-02-22 20:06:31

 স্তন-ক্যান্সার কেন হয়? এ প্রশ্নের যথার্থ উত্তর এখনও বিজ্ঞানীরা পাননি। ক্যান্সারসংক্রান্ত এক চীনা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৪ বছর বা তারচেয়ে কম বয়সী মেয়েদের মধ্যে স্তন-ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার হার কম। ২৫ বছরের পর থেকে এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার হার ক্রমশ বাড়তে থাকে। ৫০ থেকে ৫৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে আক্রান্তের হার সর্বোচ্চ। আবার ৫৫ বছর বা তারচেয়ে বেশি বয়সীদের মধ্যে স্তন-ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার হার কম। আজকের 'জীবন যেমন' আসরে আমরা স্তন-ক্যান্সার নিয়ে আলোচনা করব।

স্তন-ক্যান্সার কেন হয়?

১. পরিবারের কারণে

যদি পরিবারের কেউ, যেমন মা বা বোন ক্যান্সারের রোগী হয়, তবে পরিবারের অন্য মেয়েদেরও স্তন-ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা বেশি থাকে।


২. দীর্ঘকাল ধরে অতিরিক্ত মদ্যপানের অভ্যাস

যাদের এই বদ্যভাস আছে, তাদের মধ্যে এই রোগে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা বেশি। কারণ, অতিরিক্ত মদ্যপান শরীরের জিনকে পরিবর্তন করতে পারে।

 

. অনিয়মিত, দীর্ঘস্থায়ী বা নির্দিষ্ট সময়ের আগে মাসিক স্তন-ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়

এ ছাড়া এমন অনেক কিশোরী আছে যাদের ১৩ থেকে ১৪ বছর বয়সে যেখানে প্রথম মাসিক হওয়ার কথা, সেখানে ১০ বছর বয়সেই মাসিক শুরু হয়। এ ধরনের মেয়েদের স্তন-ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি। তা ছাড়া, অবিবাহিত ও নিঃসন্তান নারীদের স্তন-ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি। কারণ, সন্তানকে স্তন্যদান স্তন-ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। সন্তান না-থাকায় এই ঝুঁকি বাড়ে।  বংশগত কারণেও নারীদের স্তন-ক্যান্সার হয়আ। যেমন, কোনো মেয়ের মায়ের যদি স্তন-ক্যান্সার হয়, তবে সেও স্তন-ক্যান্সারের ঝুঁকিতে থাকে।

কোনো কারণে স্তনে কোনো চাকা বা পিণ্ড থাকলেও স্তন-ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে। সাধারণত ৫০ বছরের বেশি বয়সী নারীদের মধ্যে এমন চাকার কারণে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তবে সব বয়সের নারীরাই চাকা বা পিণ্ডের কারণে স্তন-ক্যান্সারের ঝুঁকিতে থাকে। চিকিত্সকরা বলছেন, মাসিকের পরের সাত দিন নিজে নিজেই স্তনে কোনো চাকা আছে কিনা তা দেখে নিতে হবে। মাসিকের ৩ থেকে ৪ দিন পর নিজেই নিজের স্তন পরীক্ষা করতে পরামর্শ দেন তারা। স্তনের কোথাও চাকার অস্তিত্ব পেলে দ্রুত চিকিত্সকের শরণাপন্ন হতে হবে। এ রোগে প্রাথমিক পর্যায়ে শারীরিক কোনো কষ্ট থাকে না। তাই রোগ পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়ার আগে রোগী বুঝতেও পারেন না তার স্তন-ক্যান্সার হয়েছে। রোগী একেবারে শেষ পর্যায়ে চিকিত্সকের কাছে আসেন। যদি প্রাথমিক পর্যায়ে এ রোগ শনাক্ত করা যায় তাহলে ছোট অস্ত্রোপচারে রোগী পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে।

খবর :
সর্বশেষ খবর চীন বিশ্ব দক্ষিণ এশিয়া

চীনা ভাষা শিখুন সংস্কৃতি জীবন বাণিজ্য চীনের বিশ্বকোষ