বর্তমান স্থান: মূল পাতা > জীবন > প্রধান লেখা

শিশুর চোখের যত্নে করণীয়

2017-06-11 18:45:19

শিশুর চোখের যত্নে করণীয়


 শিশুরা আমাদের ভবিষ্যত। তাই শিশুদের সুস্থতার ওপর দেশ ও দশের এগিয়ে যাওয়া অনেকাংশে নির্ভর করে। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা আমাদের কাম্য হওয়া উচিত।

আজকে আমরা আলোচনা করবো শিশুদের চোখের যত্নে করণীয় নিয়ে। মানবদেহের অঙ্গগুলোর মধ্যে বোধকরি চোখের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। তাই এই চোখের যত্ন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইটে শিশুর চোখের যত্নে করণীয় সম্পর্কে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আজকের 'জীবন যেমন' অনুষ্ঠানে আমরা এ বিষয় নিয়েই আলোচনা করবো।


চোখের অনেকগুলো উপাঙ্গ থাকে। এখানে সংক্ষেপে সেগুলোর একটু বর্ণনা দিয়ে নিই।


স্ক্লেরা (sclera): এটা চোখের আচ্ছাদনকারী সাদা অংশ। এটা চোখে বহীরাবরকের পেছনের দিকের ৫/৬ অংশ স্থান জুড়ে অবস্থিত। এটা এবং ভিতরের তরল পদার্থগুলো (অ্যাকুয়াস হিউমার ও ভিট্রিয়াস হিউমার) মিলে চোখের সূক্ষ্ম অংশগুলোকে রক্ষা করে। এটি সাদা ও অস্বচ্ছ।


কর্নিয়া (cornea): এটা গম্ভুজ আকারের স্বচ্ছ পর্দা যা চোখের সামনের অংশ ঢেকে রাখে। এটি চোখে বহীরাবরকের সামনের দিকের ১/৬ অংশ স্থান জুড়ে অবস্থিত। এটা স্বচ্ছ, কারণ এতে কোন রক্তজালিকা নেই। চোখ প্রতিস্থাপন (eye transplant) বলতে আসলে কর্নিয়ার প্রতিস্থাপন বুঝায়।


অ্যাকুয়াস হিউমার (aqueous humor): এটা পানির মত তরল পদার্থ যা সিলিয়ারি বডি থেকে উৎপন্ন হয়। চোখের সামনের অংশ (লেন্স এবং কর্নিয়ার মধ্যবর্তী অংশ) এই তরলে পূর্ণ থাকে।


আইরিশ (iris): এটা চেখের রঙিন অংশ, যা অনেকটা আংটির মত। এটা বিভিন্ন রঙের হয়, যেমন- বাদামি, সবুজ, নীল ইত্যাদি। আলোর তীব্রতার উপর নির্ভর করে আইরিশ সংকোচিত বা প্রসারিত হয়। এতে পিউপিলের আকার পরিবর্তিত হয় এবং লেন্স ও রেটিনায় আপতিত আলোর পরিমাণ নিয়ন্ত্রিত হয়।

খবর :
সর্বশেষ খবর চীন বিশ্ব দক্ষিণ এশিয়া

চীনা ভাষা শিখুন সংস্কৃতি জীবন বাণিজ্য চীনের বিশ্বকোষ