বর্তমান স্থান: মূল পাতা > সংস্কৃতি > প্রধান লেখা

‘নানচিং শহর মহামারী প্রতিরোধের ঘটনাস্থল’

2020-03-26 14:06:46


গত সপ্তাহের আলোছায়া অনুষ্ঠানে আমরা জাপানের এনএইচকে'র তৈরি একটি প্রামাণ্যচিত্রের সঙ্গে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলাম। সেই প্রামাণ্যচিত্রে পেশাদার দৃষ্টিকোণ থেকে সবার কাছে নভেল করোনাভাইরাস প্রসঙ্গে একটি ধারণা দেওয়া হয়েছে। আজকের অনুষ্ঠানে আমরা যে তথ্যচিত্রের সঙ্গে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিতে চাই, সেটি একটু অন্য রকম। এ প্রামাণ্যচিত্রটি বিদেশে এখন অনেক জনপ্রিয়। এর নাম হলো ‘নানচিং শহরে মহামারী প্রতিরোধের ঘটনাস্থল'।

১৭ মার্চ পর্যন্ত চীনের নানচিং শহরে নভেল করোনাভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা টানা ২৮ দিন ধরে শূন্য। শহরটি কীভাবে এই সাফল্য অর্জন করেছে? বলা যায়, এ শহরের প্রত্যেকই এক মুহূর্তের জন্য বিষয়টি হালকা করে দেখেন নি। তাদের আচরণ অনেক বিদেশির চোখে বেশ নতুন ও বুদ্ধিদীপ্ত।

সুপারমার্কেটে যাওয়া বা বাসে ওঠা, যাই হোক-না-কেন, সবার আগে শারীরিক তাপমাত্রা চেক করতে হবে। লিফটের বোতাম পুশ করার জন্য বিশেষভাবে রাখা টিস্যুও ব্যবহার করতে হবে। হাতের সঙ্গে বোতামের স্পর্শ এড়াতে টিস্যু দিয়ে বোতাম পুশ করা যায়। মানুষের সেলফোনে মহামারী সংক্রান্ত ম্যাপ আছে। ম্যাপে মহামারীর চিহ্নিত স্থানগুলো এড়িয়ে যেতে বলা হয়েছে।

রেস্টুরেন্টে খাওয়ার জন্য প্রথমে রেজিস্টার করতে হবে। নিজের নাম, আইডি নম্বর এবং ফোন নম্বরসহ বিভিন্ন তথ্য লিখতে হবে। খাবারের জন্য পে করতে চাইলে নগদ নয়, নিজের সেলফোনে পে করা যায়। রেস্টুরেন্টে কর্মরত লোকেরা প্রতি ঘণ্টায় নিজের শারীরিক তাপমাত্রা মাপতে পারেন এবং তারা প্রতিরক্ষামূলক পোশাক পরে কাজ করেন।

জনগণের জীবনযাপনসহ বিভিন্ন দিক স্বাভাবিক হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে নানা প্রতিষেধক ব্যবস্থাও ভালোভাবে নিশ্চিত করা হয়। টানা ২৮ দিন ধরে নতুন করে সংক্রমণ দেখা না দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট বিচ্ছিন্নতা ব্যবস্থা শিথিল করা হয়নি।

খবর :
সর্বশেষ খবর চীন বিশ্ব দক্ষিণ এশিয়া

চীনা ভাষা শিখুন সংস্কৃতি জীবন বাণিজ্য চীনের বিশ্বকোষ