বর্তমান স্থান: মূল পাতা > সংস্কৃতি > প্রধান লেখা

মার্কিন ডিসকভারি চ্যানেলের নির্মিত ডকুমেন্টরি ‘চায়না:টাইম অব সি’

2017-10-26 11:07:06

২০১৭ সালের অক্টোবরে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের ওপর নজর রাখা উপলক্ষ্যে ‘চায়না: টাইম অব সি' নামে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসকভরি চ্যানেলের নির্মিত তিন পর্বের টিভি ডকুমেন্টরি অস্ট্রেলিয়ায় সম্প্রচারিত হয়। চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের দেশ প্রশাসন নিয়ে আন্তর্জাতিক প্রধান মিডিয়ার উদ্যোগে প্রথমবারের মতো প্রচারিত এ টিভি অনুষ্ঠান অস্ট্রেলিয়ার দর্শকদের মধ্যে তুমুল সাড়া ফেলে।

টানা তিন পর্বের এই টিভি ডকুমেন্টরি দেখার পর যারা চীন আন্তর্জাতিক বেতার বা সিআরআইয়ে সাক্ষাত্কার দিয়েছেন তারা সাম্প্রতিক ৫ বছরে চীনের অর্জিত বিশাল সাফল্য নিয়ে বিস্ময় বোধ করেন এবং চীনকে আরো বেশি জানার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন।

অস্ট্রেলিয়ান দর্শকদের চোখে ‘চায়না: টাইম অব সি' এ টিভি ডকুমেন্টরির ছন্দ অনেক দ্রুত, দৃশ্য-বিন্যাস সুন্দর এবং কাহিনীও মুগ্ধকর। এতে বিগত পাঁচ বছরে চীনের অর্জিত লক্ষ্যণীয় সাফল্য তুলে ধরা হয়েছে।

বিশেষ করে এ ডকুমেন্টরিতে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেভিন রুডসহ চীনবিষয়ক বিশেষজ্ঞদের সাক্ষাত্কারও নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মুখে চীনের উন্নয়ন ও পরিবর্তন যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে তা অস্ট্রেলিয়ান দর্শকদের কাছে ব্যাপকভাবে বিশ্বাসযোগ্য।

অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত চীনবিষয়ক বিশেষজ্ঞ এবং বাণিজ্য ও আইন বিশেষজ্ঞ বিল হোয়াইট সাংবাদিককে জানান, বিগত ৫ বছরে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে চীনের প্রভাব বিশাল। ই-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীন অস্ট্রেলিয়ার ওপর প্রভাব ফেলেছে। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্যিক মহল চীনের সঙ্গে সহযোগিতা চালানোর প্রত্যাশায় রয়েছে এবং তারা চীনের উন্নত প্রযুক্তি শিখতে খুব আগ্রহী। হোয়াইট বলেন, ‘ইলেকট্রনিক পেমেন্ট প্রযুক্তির ক্ষেত্রে চীন বিশ্বের শীর্ষস্থান অধিকার করে থাকে। চীনের ই-বাণিজ্য সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে। আমি এ ক্ষেত্রের উন্নয়নের ওপর সজাগ দৃষ্টি রাখি'।

খবর :
সর্বশেষ খবর চীন বিশ্ব দক্ষিণ এশিয়া

চীনা ভাষা শিখুন সংস্কৃতি জীবন বাণিজ্য চীনের বিশ্বকোষ