বর্তমান স্থান: মূল পাতা > সংস্কৃতি > প্রধান লেখা

নরওয়েজিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের ‘স্লো টিভি’

2017-04-11 16:29:44

নরওয়েজিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের ‘স্লো টিভি’

নরওয়েজিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের ‘স্লো টিভি’

১৮ ঘণ্টা সময় নিয়ে মাছ ধরা প্রচার করা, ৩ ঘণ্টায় স্যামন ধরা, ৮ ঘণ্টায় উল সংগ্রহ করে সোয়েটার তৈরির পুরো প্রক্রিয়া প্রচার করা এবং একই সময় নিয়ে ক্যামেরা দিয়ে জ্বলন্ত জ্বালানির দৃশ্য ধারণ করা। এসব হলো নরওয়েজিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (এনআরকে)-র টিভি অনুষ্ঠানের বিষয়। এসব সব দৃশ্য কোনো ধরনের সম্পাদনা ছাড়াই এনআরকে প্রচার করে থাকে। মূলত সম্পাদনা ছাড়া এসব দৃশ্য পুরোপুরি প্রচার করাই হলো ‘স্লো টিভি'-র জনপ্রিয় হয়ে ওঠার অন্যতম একটি কারণ।

বিরক্তিকর অথবা মজাদার সব ধরনের বিষয় নিয়েই ‘স্লো টিভি'-র অনুষ্ঠান। এখানে সম্পাদক তথাকথিত ‘অতিরিক্ত' অংশ কেটে ফেলেন না। এটি হলো ‘স্লো টিভি'-র গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈশিষ্ট্য।

২০০৯ সালের নভেম্বর মাসের কোনো এক শুক্রবার রাতে এনআরকে ‘বার্গেন্সবানেন' নামে একটি ‘স্লো টিভি' প্রচার করে। এটি হলো ‘বার্গেন্সবানেন' রেলপথ নির্মাণের শততম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষভাবে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র। এতে রাজধানী অসলো থেকে বার্গেন পর্যন্ত ৭ ঘণ্টাব্যাপী রেলগাড়ির ভ্রমণ তুলে ধরা হয়।

আসলে এনআরকে তখন আশা করেছিলো, নরওয়ের দু'হাজারেরও বেশি রেলপথ ভক্ত এ তথ্যচিত্র উপভোগ করতে পারেন। তবে শেষে পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, ১২ লাখেরও বেশি লোক অর্থাত্ নরওয়ের লোকসংখ্যার এক চতুর্থাংশ এ তথ্যচিত্রের ওপর দৃষ্টি রাখেন।

‘স্লো টিভি'-র নির্মাতা থমাস হেল্লাম বলেন, তিনি দর্শকদের জন্য গভীর অনুভূতি বয়ে আনতে চান। এটি হলো টিভি দেখার নতুন পদ্ধতি। অবশ্যই দর্শকেরা টিভি দেখার সময় বাইরে একটু হাটাহাটি বা এক কাপ কফি কিনতে পারেন, তারপর বাসায় ফিরে আসার পর দেখবেন যে, টিভি অনুষ্ঠানে কোনো নতুন ঘটনা ঘটে নি। টিভি সেট থেকে কোনো বিষয় মিস করতে পারেন না।

খবর :
সর্বশেষ খবর চীন বিশ্ব দক্ষিণ এশিয়া

চীনা ভাষা শিখুন সংস্কৃতি জীবন বাণিজ্য চীনের বিশ্বকোষ